সাহিত্য / কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাহিত্য / কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা-  টাকা  -আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)

কবিতা- টাকা -আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)

 টাকা 

         আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)


 টাকার অনেক বড় যাদু

    টাকার অনেক বড় শক্তি,

টাকা থাকলে মানুষ তোমায়

     দেবে সম্মান শ্রদ্ধা ভক্তি।

    টাকায় আত্মীয়তা বৃদ্ধি করে

টাকাওয়ালারে সমাজ দেয় গুরুত্ব,

টাকা না থাকলে মিলিয়ে নিও

   কাছের মানুষ সৃষ্টি করবে দূরত্ব।

বেশি টাকা দিলে রে ভাই

     হুজুর লম্বা মোনাজাত ধরে,

টাকা  কামাই করা ছেলেটারে

    মা একটু  বেশি আদর করে। 

টাকায় সম্মান বয়ে আনে,

টাকায় যেন কাছে টানে।

পকেটে না থাকলে টাকা,

পৃথিবীটা লাগবে ফাঁকা ফাঁকা। 

টাকা না থাকলে রে ভাই

   প্রেমিকার মন যায় ঘুরে,

বেটার অপশন পেলে তখন

 অজুহাতে চলে যাবে দূরে।

বেশি বেশি করে তুমি

  টাকা  কামাই করো ভাই,

নারীর স্বপ্নের রাজা আসে

কখনো ফকির আসে নাই ।

 "প্রয়োজন /প্রিয়জন "-বিতান কুমার মন্ডল

"প্রয়োজন /প্রিয়জন "-বিতান কুমার মন্ডল

 "প্রয়োজন /প্রিয়জন "

                                            -বিতান কুমার মন্ডল



প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
সময় আসে অবহেলার
সময় আসে অপ্রাসঙ্গিকতার
সময় সাজে অজুহাত ।।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
জন্মদিনের শুভেচ্ছারাশি
কমতে থাকে লাইফ সাপোর্টের
হৃদস্পন্দনের মতো।।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
গোলাপ হয় ডাস্টবিনের খোরাক
রঙিন চাদর বালিশ সরে যায়
অন্তিমের অপেক্ষায় থাকা প্রাণের
অবলা শয্যা থেকে।।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে
টগবগে তরুণ সাজে কাফকার ফড়িঙ
মেটামরফোসিস গরম শ্বাস ফেলে
তার সারা গায়ে হাতে পায়।।
তবু কোন এক ঘরের কোনে
বিলাসীরা রাত জাগে
তবু ভেলা ভাসে বেহুলার
তবু ভালোবাসা খুজে নেয় বিশ্বাস
চিনে নেয় প্রিয়জন।।
বিতান কুমার মন্ডল
২০ পৌষ ১৪৩০
(০৪ জানুয়ারি ২০২৪)
ঝিকরগাছা, যশোর।
All react
সময়ের শাসন  -বিতান কুমার

সময়ের শাসন -বিতান কুমার

সময়ের শাসন
                                                                                                -বিতান কুমার


বয়ে গেছে কত পদ্মার জল
বৃদ্ধ গড়াই উন্মাদ বরষায়
মুক্তি মিলেছে ঘাটের পারাপার
নতুন দিনে পসরা সাজায় নতুন বসন্ত
ফুলে-ফলে ভরে এপার ওপার
আর আমি থাকি তেপান্তরের পারে
সময়ের শাসনে- তারই কারাগারে।।
বিতান কুমার
ঝিকরগাছা, যশোর।
০৬ পৌষ, ১৪৩০
(২১ ডিসেম্বর ২০২৩)


 কবিতা “অভাব” -আল ফারুক ইসলাম (দুখু) মিয়া

কবিতা “অভাব” -আল ফারুক ইসলাম (দুখু) মিয়া

 অভাব

            আল ফারুক ইসলাম (দুখু) মিয়া 


অল্প অল্প  অভাবে কেউবা

একেবারে খুব ভেঙ্গে পড়েছে,,

পাহাড় পরিমান অভাব পেয়ে

কেউবা নতুন জীবন গড়েছে।।


 চাকরির অভাব,খাবারের অভাব

সুস্থ তার অভাব, আরো অভাব রূপে,,

অভাবের তারনা সইতে না পেয়ে

অনেকে নিরবে কাঁদে চুপে চুপে।।


সবদিক দিয়ে সুখী

বল কেবা হয়েছে,,

কিছু না কিছু দিক দিয়ে 

সবার অভাব রয়েছে।।


অভাবেরই এই হতাশায়

 যদি ভুগিতেছে সবে,,

অভাবে ক্লান্ত তুমি 

 বল কেন হও তবে।।

**ঘুষ** -আঃ মান্নান

**ঘুষ** -আঃ মান্নান

 "ঘুষ" 

                         কবি আঃ মান্নান

হায়রে মানুষ তোর এখন হয়নি কেন হুস,

হাদিস কোরান পড়ার পরেও

নিস কেন তোরা  ঘুষ।

চাকরী করিস ভাল কথা ঘুস কেন নিস  টাকা

ঘুষ ছাড়া হজম হজম হয়না  তোদের পেটের চাআকা।

গরীব দুঃখী আসলে কাছে দুর দুর করে তাডিয়ে দিস

বড় লোকের চামচা আসলে পোক পাকড়ে টাকা নিস।

ঘুষ যে দিবে তোকে তার দলে তুই থাকিস

তোর কারনে কত কত ক্ষতি হয় 

এ খবর কি তুই রাখিস।

ছলে বলে কথা  বলে ঘুষ আদায় করিস,

প্রতিশ্রুতি মোতাবেক কোনকাজ না করিস।

সরকারের কর্ম চারী বেতন দেয় সরকার

ভাবসিছ তোরা ঘুস নেবোত ওটাই আমাদের দরকার।

সবাই তোদের করলে ছালাম অন্তরে তাদের ঘৃনা

দুনিয়াতেনেই শান্তি আখেরাতে টানাটানি।।

**বিজয় দিবস** -কবি আঃ মান্নান

**বিজয় দিবস** -কবি আঃ মান্নান

 বিজয় দিবস

                        কবি আঃ মান্নান

আজ ১৬ই ডিসেম্বর

মহান বিজয় দিবস।

৩০ লক্ষ বাঙালী শহীদ

বাংলার মাটিতে রচিল ইতিহাস।

চল্লিশ বছর ধরে মোরা বাঙালী

নর নারী স্মরণ করি ক্ষনে ক্ষনে।

১৭৫৭ সালের পরাজয়ের মালা

পরিল এই বাংলা।

ইংরেজ  ফরাসী আর পাকিস্তানীরা

করিল শাসন শোসন আর অত্যাচার।

১৯৭০সালে অত্যাচারে অতিষ্ঠ হইয়া

বিদ্রোহী হইল বাংগালী আবার।

সবুজ তৃন ভুমিতে শৃষ্টি হল

রক্ত খচিত ইতিহাস।

১৬ই ডিসেম্বর আনিল ছিনিয়া

বিজয়ের মালাটি আবার।

বাংলা দেশ হইল স্বাধীন

সাত কোটি নরনারী ছাড়িল  স্বস্তির নিশ্বাস।

আজ ১৬ই ডিসেম্বর

মহান বিজয় দিবস।

**আকুতি/ অভিলাষ**  -কবি আঃ মান্নান

**আকুতি/ অভিলাষ** -কবি আঃ মান্নান

আকুতি/ অভিলাষ

কবি আঃ মান্নান   

গর্ভ ধারী মা নাহয়েওহ

হয়ে ছিলে তুমি মা।

তোমার অবদানের কথা

জীবনের তরে ভোলা যায়না।

সকালে উঠিলে মনে হয়

পৃথিবীটা ফাঁকা

মায়ের আদর দেয় না

আমায় দেখা।

দিবস রজনী কাটে আমার অবহেলায়

ভাবিতে হৃদয় আমার রক্ত ক্ষরণ হয়।

আর হয়ত কভু আসিবেনা তুমি ফিরে    

আমার নিবেদন তোমার কাছে যাই জানিয়ে।।

            

তাপসী রাবেয়া""  'কবি আঃ মান্নান'

তাপসী রাবেয়া"" 'কবি আঃ মান্নান'

 তাপসী রাবেয়া

                           কবি আঃ মান্নান

বসরার খোদা প্রেমিক তাপসী রাবেয়া

খোদার নৈকট্ট লাভে নিজেকে দিলেন বিলায়ে।

দরিদ্রের করাঘাতে করিতেন জীবন যাপন

অকালে পিতা মাতা করিল পরলোক গমন।

দিবানিশি খোদার প্রেমে থাকিত মসগুল

মোনাজাত ধরিয়া কাদিয়া হইত আকুল।

খোদার তরে জীবম করিয়াছে বিসর্জন

বিন্দু বিঃসর্গ ভুলিয়া যেন উদ্ধতন।

যৌবন জীবন করিয়াছে অর্পন

চল্লিশ বছর কাটিয়াছে আরাধনায়

ঘুমাইনি কখন শুইয়া বিছানায়।

হজ্বব্রত পালন করিত আসিয়া রাবেয়া

বায়তুলকাবা লইয়া যাইত আগাইয়া

দুনিয়ায় বরন করিয়াছে নানা দুঃখ

নববই বছর পরে সে পাইল সুখ।।

 বৃশ্চিক মনের দহন ........হারুন অর রশিদ

বৃশ্চিক মনের দহন ........হারুন অর রশিদ

 বৃশ্চিক মনের দহন

 ...............হারুন অর রশিদ


বাহুতে ক্ষত তুমি জেগে আছো এই রাত ফেরারী তবু–

তবু আলো আছে, বিষাদ ঝরছে। অন্ধকারের এইতো নগ্নতা–

এসবই বেসামাল গল্পের ছক বাঁধা ফাঁদ!


বন্ধ জানালা, দরজায় খিল্ মন থেকে খুলেছো শরীর

আমাকে ছোঁওনি তুমি তবু স্পর্শ ব্যাধি

বাতাসের সুতীব্র দহন, এই বেগ হুড়মুড় ঢুকে পড়ে

কার কোলে মাথা রেখে কারে ছোঁয় অনাহুত মেঘ; বর্ষার দহন!


সাদা পাতা, নীল অক্ষর, ভ্রষ্ট ডায়েরীর খাঁজে শব্দহীন এ কোন কবিতা?

তুমি মেলে দাও অন্তহীন অমল কবিতার খাতা

কে তারে লেখে?

আমি কেবল পাঠ করি সাদা পাতা, নীল অক্ষর…


দূরে পাতা ঝরে, জল ঝরে পুড়ে যায় বৃশ্চিক মন।

রক্তগুলো আগুন দানা  -হারুন অর রশিদ

রক্তগুলো আগুন দানা -হারুন অর রশিদ

 
রক্তগুলো আগুন দানা

                -হারুন অর রশিদ


ফু দিওনা আগুন বনে শর্ষে ভেবে

ফু দিওনা

শর্ষে ফুলের অবয়বে ক্ষেতের বুকে আগুন জ্বলে

ফু দিওনা।


দাউ দাউ দাউ জ্বলছে আগুন বুকের মাঝে

ফু দিওনা

বুকের মাঝে হৃদয় ভেবে ফু দিওনা

ওখানেও আগুন পাখি দিচ্ছে হাওয়া

ফু দিওনা।


কিশোর বুকে আগুন জ্বেলে ফু দিওনা

জ্বলবে পাড়া, জ্বলবে গ্রাম, জ্বলবে শহর

নদীর বুকে জ্বলবে আগুন, পুড়বে পাহাড়

ফু দিওনা।


পথের মাঝে আগুন স্রোত ফু দিওনা

মুখে মুখে ঘুরছে আগুন ফু দিওনা

নিঃশ্বাসেতে উড়ছে আগুন ফু দিওনা

জোয়ান ছেলের রক্ত দেখে ফু দিওনা।


ফুলকি ছাড়া রক্তগুলো আগুন দানা

জমাট বরফ শীতল ভেবে ফু দিওনা

ফু দিওনা 

.. .  ফু দিওনা 

... .......  ফু দিওনা।


প্রেমিক বুকের রক্তক্ষরণ ফু দিওনা

ভবঘুরের সূর্য পোড়া শান্ত মনে ফু দিওনা

চায়ের কাপের বেকার ঠোঁটে ফু দিওনা।


নগ্নপায়ে বেনীর স্রোত- সাপের ফনা

সবুজ-পান্না ঝকঝকে চোখ কাঁচের বারুদ

ফু দিওনা।


চৈত্রমাসে বাঁশের ঝাড়ে ভুল করোনা

পাতায় পাতায় লাগলে দোলা ফু দিওনা।


কবিতা - আযানের ধ্বনি

কবিতা - আযানের ধ্বনি


আযানের ধ্বনি
             ----- বিশ্বাস সুপদ কুমার
...............................................................................

"ফজর" আযান ঘুমকে ভাঙায়
দিনকে খুঁজে পাই যে
নিত্যনতুন স্বপ্ন নিয়ে
কর্মে ফিরে যাই যে।

"যোহর" আযান আসলে কানে
মিথ্যা মোহ ঢাকি
দুপুরবেলা আমি যখন
কর্মে বিভোর থাকি।

"আসর" আযান শুনতে পেলে
শ্রান্তি ফেরে তখন
বিকালবেলা কর্ম শেষে
ক্লান্ত থাকি যখন।

"মাগরিব" আযান সন্ধ্যা বেলায়
কানে দমকা আসে
গভীর চিন্তায় মগ্ন থেকে
শুদ্ধতায় মন ভাসে।

"এশা''র আযান আসলে ভেসে
রাত্রিকে নেই চুমে
দিনের শত হিসেব ফেলে
চলি মরণ ঘুমে।
মোঃ নজরুল ইসলামের কবিতা : "জলাঞ্জলি"

মোঃ নজরুল ইসলামের কবিতা : "জলাঞ্জলি"


"জলাঞ্জলি"
মোঃ নজরুল ইসলাম

মা গো,
তোমাকে আর বলতে হবে না,
রাত দুপুর হয়েছে এবার ঘুমা
আমিও আর বলব না
পড়া শেষ হয় নি মা!
তোমাকে আর বলব না,
মা
ডেকে দিও ফযরের আজান হলে,
আমি ঘুমিয়ে গেলে
বলব না হাত খরচা নেই
গরিবের ছেলেকে পাড়াতে নেই
বাবাকে আর জন দিতে হবে না
আমার জন্য "মা"
ওরা তোমার ছেলেকে
চির ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছে।

তখন কত বার ডেকেছি তোমাকে
কিন্তু আমার আর্তনাদ কে শুনেছে?

হ্যাঁ আমি ঘুমিয়ে গেছি মা
আর কখনই জাগবো না
স্বপ্ন আর দেখব না
ক্যাম্পাচের প্রাচীর ভেদ করে
দেশের জন্য আঙুল তুলব না
দেয় দিক ওরা দেশটা বিক্রি করে
এ যে ওদের বাপ দাদার সম্পত্তি 
আমি আগে বুঝতে পারিনি
পারলে ছড়াতাম না বিভ্রান্তী
হতে হতো না ওদের তোমার ছেলের খুনী

মাগো মা
ক্ষমা করে দিও এই অপদস্তকে
যে তোমাকে হাসাতে পারে না
কেন স্বপ্ন দেখতে  নিয়ে তাকে ?

সে তো ভাবে নি
তোমাদের কথা
নিজ প্রাণের মায়াও করেনি
ছিল নাকি স্বাধীন চেতা
মা
কেমন আছে তারিফ আমেনা?

ওদের কে পড়াতে যেও না
কোল খালি করো না
দরকার নেই হবার
ডাক্তার ইন্জিনিয়ার
অবশেষে আমার মত
ফিরতে হবে বাড়ি
দেহটা করে ক্ষত-বিক্ষত
বস্তা পাটি জড়ি
তার থেকে 
আমেনা কে বিয়ে দিও
নামাজী ছেলে দেখে
তারিফ কে বাবার সাথে পাঠিও

জন দিতে
মানা করো ওদের 
স্বপ্ন দেখতে
আমি বড় অভিশপ্ত কাছে বোনের
আমাকে প্রায় বলতো
ও না কী
গাঁয়ের লোকের মুখে শুনতো
কবি ডাক্তার ইন্জিনিয়ারের বোন ও
গর্বে কেঁদে ফেলতো
তেমনি স্বপ্ন দেখতাম আমিও
কিন্তু কে জানিত?

অসময়ে ঝরে যাবো
পারিনি কিনতে
ওর বিয়ের বেনারশী টা
পারিনি খুঁজতে
ওর মনের মতন ছেলে টা
একটা ঘড়ি চেয়েছিল
ছোট ভাই আমার
যদিও কিনতে কষ্ট হলো
রেখেছি টেবিলের উপর
পরিক্ষা দিতে যাবে
পরে বলে
সময় দেখে লিখতে হবে
গোল্ডেন পেতে হলে
পারলাম না দিতে
ওর হাতে পরিয়ে
ওকে বলে দিও নিয়ে যেতে
সব কিছু গুঁছিয়ে
"মা"
কেমন আছে নীলাম্বরী?

ওর একটা গল্প শোন না
কাল রুমে এসেছিল আমারি
দেখে পড়ছি
আল- কুরআন
গরমে ঘামছি
নষ্ট বলে ফ্যান
দিচ্ছিল বাতাস 
হাত পাখা নিয়ে
ফেলেছিল দীর্ঘনিঃশ্বাস
শুনছিল মনোযোগ দিয়ে
হঠাৎ আমার চাওয়াতে
চলে গেলো
ফোন দিল রাতে
দেখা করতে বলে
পরের দিন বিকালে

দিল বর্ণনা
জানিতে চাহিলে
আমার জায়নামাজ খানা
পাঞ্জাবী  পাইজামা
জুতা টুপি 
ওর পছন্দ হয় নি
সব নাকি
পুরানো ছেঁড়া
আবার ময়লা মাটি
দিল দাঁত ঝাড়া
ওর ডাক্তারির প্রথম বেতনে
 পছন্দের নীল রঙের
ওসব নাকি এনেছে কিনে
দিবে চেয়ে আছে সুযোগের

মা
ওখুব সাঁজতে পছন্দ করতো
হাতে মেহেদী দিয়ে রাঙাতো
সাঁজুগুজু ছবি পাঠাতো
যদিও থাকতো কর্মব্যস্ত
আমাদের বিয়েতে
 ওর মন চেয়েছিল
অনেক অনেক সাঁজতে
যা আমাকে বলেছিল
ওর এক মাত্র ননদের
বিয়ে দেবে ও
পাত্র হবে ওর  মনের
সাঁজবে সেদিন ও
আমেনা কে সাঁজাবে
ওর নিজ হাতে
বরের গাড়িতে উঠাবে
কেঁদে দিবে বিদায় জানাতে
হাসি তামাসা
করবে নুনদার সাথে
মুড়ি বাতসা
খাবে গল্পে মেতে।

তারিফ ওর 
একমাত্র দেবর
যাকে রাখবে চোখের শাষনে
আদর করবে সময়ে
থেকে মায়ের আশনে
ভাসিবে সুখের সমারোহে
একটা লাল টুকটুকে
বউ এনে দিবে
ছোটন বলে ডেকে
পরাণ জুঁড়াবে সবে
এমন কত শত।

স্বপ্ন বুনতো আমাতে
সবই আজ ক্ষত
আমাকে হারাতে
মা গো
ওকে ফেলে দিও না
ও কে বার বার বলতাম
আমাকে এত ভালোবেসো না
কত ভাবে বোঝাতাম
এত সুখ সয় না
সবার কপালে
এত স্বপ্ন দেখ না
যদি যায় বিফলে
তুমি সইতে  পারবে না
না পেলে আমাকে
ও কিছুই শুনতো না
শুধু ভালোবাসতো আমাকে

এর বাহিরে কিছুই চাইতো না
ও খুব ভালো মেয়ে
ওর স্বপ্নও পূরণ হলো না
আজ পাগল হয়ে গেছে
 আমায় হারিয়ে
ওকে আগলিয়ে রেখো মা
ওই তোমাদের সান্তনা।।
মোঃ নজরুল ইসলামের গল্প : "ফাঁসির পূর্ব মুহুর্ত"

মোঃ নজরুল ইসলামের গল্প : "ফাঁসির পূর্ব মুহুর্ত"


"ফাঁসির পূর্ব মুহুর্ত"

           মোঃ নজরুল ইসলাম

(একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের কর্ণধর কিভাবে খুনী হলো আর তার ফাঁসির পূর্বে জল্লাদের সাথে আলাপচারিতা।,প্রথম জন ফাঁসির আসামী,দ্বিতীয় জন জল্লাদ,যে কিছুক্ষন পর ফাঁসির রায় কার্যকর করবে।)

-(আসামী)জন্মগত ভাবে কেউ খুনী নয়,সে খুনী হয়' যার অন্তরালে কিছু কারন থাকে। কিন্তু আমরা তা দেখি না।
--(জল্লাদ) হুম।অনেক দামি কথা বলেছেন।তো আপনি কেনো হলেন?
-সে অনেক কারন আছে।আর ওসব শুনে কি হবে?
--আমার দরকার আছে।
-না দরকার নেই।আমার তো ফাঁসির রায় হয়ে গেছে।যত দ্রুতই কার্যকর হয় ততই ভালো।
-- আজব তো আপনি!সেই বিচারলয় থেকে দেখছি।অকপটে নিজের দোষ স্বীকার করে নিচ্ছেন।
- হ্যাঁ নিচ্ছি।
-- কেনো নিচ্ছেন?
-সেটা আপনা জানার দরকার নেই।
--আপনি কেনো কোনো লয়ার ধরেন নি?
-কি লাভ তাতে?
--কেন আপনি মুক্তি পেতে চান না?
-না!আমি মুক্তি পেলে আরো ডর্জন খানিক খুন করবো।তার থেকে নিজে চলে যায়।
--তার মানে? কেনো আপনি খুন করবেন?
-দেখুন বাবু আমাকে এত বকাবেন না।আর শুকনো গলাতে কথা বলতে পারি না।
--পানি পান করবেন? 
-হুম।তবে সাদা পানি।
--ঠিক আছে আমি ব্যবস্থা করছি।
-ঠিক আছে আগে আনুন।
--এই নিন।
-হুম।এবার বলুন কি জানতে চান?
--আপনার পরিচয় বলুন!
-একটা শান্ত শিষ্ট মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম।
--আপনার বাবা মা আছেন? 
-জানি না।বহু দিন তাদের সন্ধান পাই নি।
--আপনার চেহারা দেখে মনে হচ্ছে লেখা পড়া জানেন।
-হুম।B.s.s in MA complete।
--রেজাল্ট কি ছিল?
-ফাস্ট ক্লাস।
--বাহ্।তার মানে আপনি তো মেধাবী শিক্ষিত।তবে কেনো খুনী।তাও আবার পেশাদার খুনী হলেন?
-দেখুন!আমি খুব ভালো ছিলাম।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম।রোজা রাখতাম
--সে তো ভালো কাজ।তার পর?
-বাবা একা সংসার সামলাতে পারতেন না।তাই জমি জমা বিক্রি করে বিদেশ যেতে চাইলেন।কিন্তু দালাল টাকা মেরে দিল।এমন কি তাকে ১৯ দিন পর মিরপুর ১ এর শাহ আলী মার্কেটের দুতলা থেকে র্যাবে অঙ্গান অবস্থাতে উদ্ধার করে ২০০৮ সালে।
-- তারপর?
-তাকে ফিরে পাই কিন্তু বাঁচা মরার মতন
চিকিৎসার জন্য বহু টাকার দরকার ছিল।কিন্তু আমাদের তেমন কিছুই ছিল না।বাধ্য হয়ে ভিটের অর্ধেক বিক্রি করে দিয়।
--সে টাকা দিয়ে বাবাকে চিকিৎসার কাজ করেন তাইতো?
-হুম।তার মধ্য মায়ের প্যারালাইসিস হয়।মহা বিপদে পড়ি।পরিবারে মোট ছয় জন সদস্য ছিলাম।
--কে কে?
- মা বাবা, আমি, দাদী, ছোট ছোট ভাই -বোন। বড় কষ্টে দিন যাচ্ছিল।তখন কাউকে পাশে পাই নি।কিন্তু আমার স্বপ্নও ছিলো।
--তখন কি করলেন?
- সকাল সন্ধ্যা ৪০ টাকার জন দিতাম।৪৫ টাকা চাউলের কেজি ২২ টাকা খুদের কেজি ফখরুদ্দীনের শাষন আমল।তাই খুদ কিনতাম।আর কোন মতে চলতাম।বহু বার ক্ষুদার যন্ত্রনাতে মাথা ঘুরে পড়েছি। কিন্তু হাল ছাড়ি নি।
--এত কষ্টের মধ্যও লেখাপড়া কি ভাবে করতেন?
- শুধু পরিক্ষার সময় পরিক্ষা দিতাম।স্যাররা ভালো ছিল।স্কুল থেকে পুরানো বই দিত।
-- ভালোতো।ছোট ভাই বোনেরা?
- ওরা স্কুলে যেত।সবার পড়াশুনা চালিয়েছি।বোন কে অনার্সের পর বিয়ে দিয়েছি।ভাইটাকে টেকনোলোজিস্ট বানিয়েছি।
--আপনি তো অনেক সংগ্রামী।
-আরে কি বলেন, যা তা।তার পর বিক্রি করা সম্পত্তি খরিদ করেছি।দালান করেছি,অনেক সুখে ছিলাম।ছাত্র জীবনেই সব করেছি।
--কি ভাবে টাকা ইনকাম করতেন?
-আরে বাবু ইচ্ছে থাকলে সব হয়।সৎ নিয়ত আর মনোবল,সব সম্ভাব।
--হুম তা সত্য।কিন্তু আপনি তো রবার্ট ব্রুস কেও হার মানিয়ে দিলেন।তবে ইনকামের সোর্স বলবেন?
- সকালে রাতে কচিং করাতাম।সারাদির জন দিতাম।মাঝে মধ্য গ্রাম্য ডাক্তারি করতাম।এমন কি পাইলস,অশ্ব, দাঁতের ও যৌন চিকিৎসার জন্য বেশ পরিচত ছিলাম।হাতের সব কাজই পারতাম,কারেন্টের বলেন,রাজের, বলেন,দর্জি বলেন কৃষি বলেন,সবই করতাম।
--আপনি তো অষ্ট ধাতুর মাদুলি
-জানি না!মাঝে মধ্য লিখতাম।
--কি লিখতেন?
-কবিতা।
--কোথাই লিখতেন?
-ফেসবুকে,ম্যাগাজিনে ,যৌথগ্রন্থে।
--আরে আপনি তো বেকাইদা মানুষ।
-আরে রাখেন,ম!
--দু লাইন বলেন কবিতা!

-"যাযাবর কবিবর যেনতার নেশা
চোরাচর বালুচর ভাটা-জোঁয়ার যেন তার পেঁষা"

--বাহ চমৎকার তো!
-জানি না।
--তারপর কি হলো?
-ফেসবুকে এক যুবতী কবির সাথে পরিচয়।তখন আমি এম এ পড়ি।তার সাথে সম্পর্কে জঁড়িয়ে যায়।সে অনেক বড় লোকের মেয়ে,আবার বড় ডাক্তার হলো।
--কেনো সম্পর্কে জড়ালেন?
-আমি জড়াতে চাই নি!সে আমাকে নিয়ে খেলেছে।অবশেষে সে মিথ্যা অভিযোগে সরে গেছে।অথচ সে ধর্ম কুরান,সব কিছুর কছম দিয়ে সম্পর্কে জাড়ায়।তখন আমার প্রেমে অন্ধ ছিল।যখন আমার সরকারি চাকুরি না হয় তখন সে আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়।চার বছরের সম্পর্কে আগুন ধরায়।তারপর আমি হঁতাশ হয়ে নেশা করতে শুরু করি।তখন আমি চাকরির খোঁজে ঢাকাতে থাকতাম।তার এ নিষ্ঠুর ব্যাবহারে আমি পাগল হয়ে যায়।আমি চারিদিকে অন্ধকার দেখি।
--তারপর? আপনি কেনো আপনি ভেঙে পড়লেন? আপনি তো অনেক সাহসী পুরুষ, সংগ্রামী মানুষ।
-তার সাথে যে জবান দিয়েছি তা বেঈমানি হবার জন্য বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম।আর মন দিয়ে তাকে ভালোবাসতাম।কিন্তু নারী যে অর্থলোভী তা বুঝতে পারিনী।
--হুম নারীরা একটু অর্থলোভী হয়।
-তারপর বাড়ির সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়।
--কেনো?
-পরিবার বলে ঐ মেয়ে কে ছাড়া যেনো বিয়ে না করি।মা জন্মের কছম দেয়।কিন্তু আমার সাথে ঐ মেয়ের কোন যোগাযোগ ছিল না।সে সব কিছু চেন্জ করে নেই।তখন আমি রাস্তাতে ঘুরি।পকেট মারা শুরু করি।তারপর আস্তে আস্তে এ পর্যন্ত আসি।
--জীবনে কতটা খুন করেছেন?
-হিসাব নেই।ঢাকার যত বড় অপারেশন হতো তার প্রথমেই আমি থাকতাম।
--পকেট মার থেকে খুনী কি ভাবে হলেন?
-আরে আপনি বোকা নাকি? বাংলাদেশের রাজনীতি বোঝেন না? আর আমি টাকার জন্য সব করতে পারতাম।যে টাকার জন্য পবিত্র ভালাবাসা অপবিত্র হয়।সে টাকা আমি না চিনে মরতে পারি না।সব বস্তিতে যান। আমাকে এক নামে চেনে।আমি তাদের থেকে চাঁদাবাজি করতাম যারা কোটিপতি। তা নিয়ে বস্তিতে বিলিয়ে দিতাম।মোটা টাকার বিনিময় অপারেশন করতাম।সে টাকা এয়াতিম খানাতে দিতাম।জীবনে নিজের জন্য কিছুই করে নি।
--তখন কি আপনি বাড়িতে টাকা দিতেন না?
- না।হারামের টাকা আমার শরীরে গেলেও বাড়িতে দিতাম না।এমন কি আর যোগাযোগ করতাম না।মাত্র দু বছরে ঢাকার প্রথম সারির আন্ডার গ্রাউন্ডেে মাস্টার হয়ে যায়।
--বেশ নাটকীয় জীবন আপনার।
-হুম!তারপর এই শেষ অপারেশন টা করে ফেরার পথে এক এয়াতিমের কাছে ধরা পড়ি।যা কারনে র্যাব আমাকে ধরতে পারে।না হলে কখনই না।এই প্রথম জেলে ঢুকি।তাই ভেবেছি আর বের হবো না।
--এয়াতিম কি ভাবে ধরলো আপনাকে? 
-অপারেশন শেষে ফেরার সময় পুঁলিশেরর সাথে গোলাগুলি চলে।পালিয়ে আসার সময় ঐ এয়াতীম গুলিবিদ্ধ হয়।ওকে বাঁচাতে যেয়ে রক্তের দাগ দেখে পুঁলিশ মিলে র্যাব ধরে ফেলে।
--ওহ্! আপনি কি আপনার ঐ মানুষটির কোন ক্ষতি করেছেন?
-না!কেনো করবো?তাকে তো আজ ও ভালোবাসি।তাকে যদি ক্ষতিই করবো তবে তো আমিও তো তার মতন বেঈমান নিচু হয়ে যাবো।কেনো আমার ভালোবাসাকে অপমানিত করবো?
--বুঝতে পেরেছি।আপনার জীবন বিরহ থেকে ফুলের মতন হলো তারপর একটি মেয়ের কারনে আজ ফাঁসির দঁড়িতে ঝুলতে যাচ্ছেন।কিন্তু তার পরিচয় দেন!আমরা তার সাথে যোগাযোগ করবো।
-কেনো?
-- আপনার ফাঁসির পর লাশটা তো বেঅরিশ হয়ে যাবে।তার থেকে তার হাতে তুলে দেব মৃত দেহ।
-আরে মশায় দরকার নেই।লাশ টা রাস্তাতে ফেলে দেবেন শিঁয়াল কুকুরে দুদিন পেট ভরে খেতে পারবে।তাতে ওদের দুদিনের ক্ষুদা নিবারন হবে।
--বাহ্!আজব মানুষ আপনি।নিজের শেষ দেহটুকু ও পরের জন্য বিলিয়ে দিতে চান।
-একটা অনুরোধ করবো?
--বলুন।
-আমার ফাঁসির খবরটা যেনো প্রচারিত না হয়।তবে ও জানতে পারলে কষ্ট পাবে।
--চমৎকার তো আপনি!তো পরিচয়টি দেন ওর।
- না তা বলবো না।ও আজ সুখে আছে।আমার লাশ নিয়ে ওর কষ্ট দিতে চাই না। ও ভালো থাকুক।
--আচ্ছা আপনার ফাঁসির খবর পেয়ে,সময় জেনেও একটুও বুক কাপছে না? 
-আরে কেঁপে কি হবে।কাঁপলে কি ফাঁসির রশি আমাকে ছেঁড়ে দেবে?
-- না।তা দেবে না।তবু এমন মানুষ কখনো দেখিনি,যে নিজের মৃত্যুর সময় জেনেও হাসি মুখে কথা বলে।আচ্ছা যদি আপনাকে ছেড়ে দেওয়া হয়?
- আমি চাই না।তার থেকে আপনারা তৈরি হোন রাত এগারোটা বেঁজে গেছে বারোটার সময় আমার ফাঁসি কার্যকর করার কথা।
--বলুন কি খেতে চান?
-না কিছুই না।খেলে মরতে সময় লাগবে।আর প্রসব পায়খানা হতে পারে।তাতে ডোমদের কষ্ট হবে। তার থেকে এক বদনা পানি দেন জীবনে অনেক দিন ওযু করে নি।আজ করি,আর একটা কুরান দেন বহুদিন চোখে দেখেনি।শেষবারের মতন একটু পড়ি,আর একটু চুম্বন করি।জানি মরার পরও আমার ক্ষমা হবে না।জাহান্নম আমাকে হাতছানি দিচ্ছে।জল্লাদ কে বলবেন দেরী না করতে।যত তাড়াতাড়ি পারে ফাঁসি দিয়ে দিক।
-- বাহ্!আপনি আমাকে অবাক করে দিলেন।নিজের মৃত্যুভয় জয় করে নিলেন।আজ আমিও হুকুমের গোলাম।যদি আমার হাতে কোন ক্ষমতা থাকতো আপনাকে মুক্তি দিতাম।কিন্তু আমি পারলাম না।আমাকে ক্ষমা করবেন।যদি রায়ের আগে এসব জানতে পারতাম তবে আপনার জন্য চেষ্টা করতাম।
-আরে আপনি কাঁদছেন কেনো? মৃত্যু তো আমার হবে আপনার না আর আপনি তো আমার কেউ নন!
-- ভাই হয়তো কেউ নয় কিন্তু আমি সেই জল্লাদ যে আপনার ফাঁসির দঁড়ি টানবো।আজ অবদি বহু ফাঁসি কার্যকর করেছি কিন্তু আপনার মতন মানুষ পাই নি।আমার একটা অনুরোধ রাখবেন?
-বলুন শুনে দেখি।
--আপনার লাশটা আমার বাড়ির পাশে মসজিদ আছে তার পাসে কবর দিতে চাই।
-আরে কি বলছেন।মসজিদ কষ্ট পাবে আমার মতন জঘন্যতম খুনীর কবর পেয়ে।তার থেকে আমার শেষ ইচ্ছে টুকু পুরন করেন
।আমার লাশ শিয়াল কুকুরে টেনে হিঁচড়ে খাবে।দেশের যুবক যুবতিরা দেখবে তাদের জীবনে শিক্ষা হবে।
জান আপনি তৈরি হন।আমিও তৈরি হয়।
মোঃ নজরুল ইসলামের কবিতা : আমার অধিকার

মোঃ নজরুল ইসলামের কবিতা : আমার অধিকার



আমার অধিকার 
মোঃ নজরুল ইসলাম

আমি যতটুকু ক্ষুধার্ত ততটুকু খাবার দাও
আমি তো অতিরিক্ত চাইনা,
নইলে তোমাদের সম্পদের প্রাচীর ভেঙে,
ছিনিয়ে আনবো আমার পাওনা।
কি ভেবেছো ধরাতে নিজেদের?
ছেড়ে দাও আমার অধিকার
নইলে চুরমার করবো অন্ধ সমাজ,
হয়ে উঠবো রক্তচোষা বাজিমাত বর।
আমি মরণ কে জয় করা বীর
খামচে ছিঁড়ে নিব কালা-শির,
চাইনা খেলতে রক্তের হলি
শান্ত শিষ্ট ভাবে বাঁচতে চাই,
অসভ্য কে করবো বলি
আমার পাওনা যদি না পাই।
বাঁদির মত বাঁচতে আসেনি জগৎ সংসারে
এসেছি বদলে দিতে  অন্ধ এ জগৎটারে।