আফজাল হোসেন চাঁদ :
যশোরের ঝিকরগাছা বাজারে গড়ে ওঠা নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান গুলো রেজিস্ট্রেশন বিহিন বাজার মুদিখানা মালিক সমিতির কারণে বাজার বিলুপ্তপ্রায়। কঠোর হস্তে দমন করতে ব্যবসায়ীদের প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা।
বাজার সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছা বাজারে গড়ে ওঠা রেজিস্ট্রেশন বিহিন বাজার মুদিখানা মালিক সমিতির করণে শুক্রবার হাতে গোনা কিছু সংখ্যক দোকান খোলা থাকে। করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের সুপারমার্কেটগুলো সহ সকল দোকান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ঔষুধের দোকান ব্যতিত কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানগুলো খোলা সময়ের উপর ভিক্তি করে খুলে দেওয়া হলেও দোকানীদের মধ্যে একটি অস্থিরতা থেকেই গিয়েছিলো। বর্তমানে সেই অস্থিরতা একটু কম হলেও বাজারের মুদিখানা মালিক সমিতির করণে শুক্রবার বাজার বন্ধ রাখার করণে এলাকার মানুষের ঝিকরগাছা বাজারে আশার মানসিকতা হারিয়ে যাচ্ছে এবং অন্য বাজারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এতে করে বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বিপদের সম্মুখীন হচ্ছে।
ঝিকরগাছা বাজারের ব্যবসায়ী লুৎফার স্টোর প্রোপাইটার গোলাম রসুল বাবু জানান, বাজারের মুদি ব্যবসায়ীদের সমিতির মাধ্যমে কিছু কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী বা সমিতির অসাধু কর্মকর্তারা বাজারে একটা সেন্টিকেট তৈরি করে দোকানপাট বন্ধ রাখছে। এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম ক্রমাগত বৃদ্ধি করছে। বাজার যদি ক্রমাহগতই প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকে এবং দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি হয়। তাহলে আমাদের ব্যবসায়ে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এমন কি ঝিকরগাছা বাজার প্রায় বিলুপ্তের পথে। এ থেকে নিস্তার পেতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বাজারে আসা পাইকারী ক্রেতা দুলাল সরকার জানান, শুক্রবার ঝিকরগাছা বাজার বাদে আসে পাশের সব বাজার খোলা থাকে। যার কারণে শুক্রবার আমরা ঝিকরগাছার অন্তর সীমানায়ই আসিনা। কোন কিছুর দরকার হলে পার্শ্ববর্তী উপজেলাতে গিয়ে প্রয়োজনীয় জিনিষ নিয়ে আসি। তবে শুক্রবার বাজার খোলা থাকলে আমাদের জন্য সুবিধা হয়।
ঝিকরগাছা বাজার মুদিখানা মালিক সমিতির সভাপতি সন্তোষ ঘোষ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

0 মন্তব্য(গুলি):