আপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আপরাধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
 ঝিকরগাছায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট অভিযোগ

ঝিকরগাছায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট অভিযোগ

 ঝিকরগাছায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট অভিযোগ 

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছায় ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ইউএনও’র নিকট মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ শহিদুল ইসলাম পল্লব (৪০) নামের এক ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য। অভিযোগকারী শিমুলিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাজাপুর গ্রামের মোঃ সোহরাব হোসেনের ছেলে। উক্ত অভিযোগে বিবাদী করেছেন একই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান মেম্বার (৪০) সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১৫/২০জনের নাম উল্লেখ করেছেন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদির গ্রামের বাড়ি উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের জে.এল. ১৭ নং উত্তর রাজাপুর মৌজায় এস.এ. দাগ ১০১৭, আর.এস. দাগ ১৫৭৯ দাগের ৭.৮০একর জমি রায়-ডিক্রী প্রাপ্ত। উক্ত জমির বিষয়ে বিজ্ঞ আদালত থেকে আমাদের রায়-ডিক্রী প্রাপ্ত হয়। এছাড়াও বিজ্ঞ আদালতের কমিশনের মাধ্যমে লাল ফ্লাগ উত্তোলন করে দখল প্রদান করে। যাহা অভিযোগকারীরা নেটপাটা দিয়ে ভোগদখলে নিয়ে রাখে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে উক্ত জমির উপর মামলার বিবাদী পক্ষদ্বয়ের উপর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন।

এমতাবস্থায় শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১৫/২০জন আমাদের জমির উপর এসে শহিদুল ইসলাম পল্লবের পিতাকে মারধর করে ও বাড়িঘর ভাংচুর সহ জমির নেটপাটা ও বিজ্ঞ আদালতের টানানো লাল ফ্লাগ তুলে পুড়িয়ে ফেলেও খ্যান্ত হয়নি। তার জমিতে থাকা প্রায় ২০লক্ষাধিক টাকার মাছ লুট ও বিভিন্ন গাছ কর্তন করে তাদের পরিবারকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে। 

গত ০৫ সেপ্টেম্বর অনুঃ বেলা ১১টার সময় শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান সহ আরও অজ্ঞাতনামা ১৫/২০জন তাদের জমির উপর এসে তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে বলে হুমকি ধামকি প্রদান করেছেন। এই বিষয়ে সঠিক ভাবে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম পল্লব।

শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মাহাবুর রহমান মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনটি রিসিভ করেনি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভুপালী সরকার বলেন, আজ একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টির উপর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, অভিযোগটি থানাতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আলোর নিচে অন্ধকার : ঝিকরগাছার টিইও’র ঘড়ির নয়টার কাটা কয়টায় যায় !

আলোর নিচে অন্ধকার : ঝিকরগাছার টিইও’র ঘড়ির নয়টার কাটা কয়টায় যায় !

আলোর নিচে অন্ধকার : ঝিকরগাছার টিইও’র ঘড়ির নয়টার কাটা কয়টায় যায় !

আফজাল হোসেন চাঁদ :

নিয়মনীতির বালাই নাই, এটা যেন আলোর নিচে অন্ধকার। যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) এর ঘড়ির কাটা কয়টায় যায় এটা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঁকি দিতে দেখা গেছে সচেতন মহলের মাঝে। স্থানীয় সংবাদর্মীদের নিকট অভিযোগ আসে ঝিকরগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) সেহেলী ফেরদৌস সময় মতো অফিসে আসে না ও দুপুর দুটার পর তিনি তার অফিসের দরজা বন্ধ করে শুয়ে থাকেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই তথ্য অনুসন্ধ্যানে দেখা যায়, সরকার ঘোষিত অফিসের সময় সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের সময় উপজেলা পরিষদের ৩য় তলায় অবস্থিত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হয়ে খুঁজে পাওয়া যায় না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) সেহেলী ফেরদৌসকে। এছাড়াও উক্ত সময়ে অনুপস্থিত ছিলেন, সহকারী শিক্ষা অফিসার রেহেনা বানু, আসাদুল ইসলাম, সঞ্জয় ঘোষাল, মুমতাহীনা বিলকিস, হিসাব সহকারী বিএম আজাদ হোসেন। তাদের অনুপস্থিত থাকতে দেখে সহকারী শিক্ষা অফিসার নাজমুল হাসান সংবাদকর্মীর নিকট বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এখনো অফিসে আসেননি। সহকারী শিক্ষা অফিসার আসাদুল ইসলাম সম্ভাবত ট্রেনিংয়ে আছেন। পরবর্তীতে সকাল ১০টার সময় অফিসে উপস্থিত হন সহকারী শিক্ষা অফিসার রেহেনা বানু। তার অফিসে দেরীতে আসার কথা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি অসুস্থ ছিলাম তাই আসতে দেরী হয়েছে।  

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (টিইও) সেহেলী ফেরদৌস বলেন, আমি উপজেলার মধ্যে মিটিংয়ে ছিলাম। আপনি অফিসে গিয়ে আমাকে ফোন দিবেন না। তবে সংবাদকর্মীদের উপস্থিতির খবর তার নিকট তাৎক্ষনিক অফিস থেকে ফোন গেলেও তিনি সংবাদর্মীর উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি আসেননি। তার অফিসের সহকারী শিক্ষা অফিসারদের ঠিকমত অফিসে উপস্থিত না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমার অফিসে উপস্থিত হওয়ার দিক থেকে প্রথম রেহেনা বানু। তিনি অসুস্থ থাকায় আসতে একটু দেরী হয়েছে। আর আমাদের অফিসের বাজেটের শেষ দিন হওয়ায় সহকারী আজাদকে বাড়ী থেকে বাজেটের কাজ গুছিয়ে আসতে বলা হয়েছে। আসাদুল ইসলাম ট্রেনিংয়ে আছে। সঞ্জয় ঘোষাল যশোর থেকে আসে। আমাদের যশোরের অফিসিয়াল কাজগুলো  সেরে আসতে বলা হয়েছে। মুমতাহীনা বিলকিসের অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি তার পাশে থাকা ব্যক্তিদের নিকট থেকে শুনে বলেন সে সম্ভবত স্কুলের মিটিংয়ে ছিলো।

 যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আশরাফুল আলম বলেন, ঘটনার বিষয় আমি যেহেতু শুনলাম। এখন কি কারণে তার অনুপস্থিত সেটার বিষয়ে তাদেরকে কারণ দর্শানো হবে।

 

ঝিকরগাছার পল্লীতে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে থানায় অভিযোগ

ঝিকরগাছার পল্লীতে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে থানায় অভিযোগ

ঝিকরগাছার পল্লীতে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে থানায় অভিযোগ

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শরীফপুর গ্রামের মৃত রবিউল ইসলামের ছেলে সাইদুর ইসলাম (৫৬)। তার উল্লেখিত অভিযোগে বিবাদী করেছেন জামাই কৃষ্ণনগর সরদার পাড়া গ্রামের আজম সরদারের ছেলে জুয়েল রানা @ ডলার (৩২) ও বেয়াই আজম সরদার (৫৫)। 

থানার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, ডলারের সাথে ১১ বছর পূর্বে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক বাদীর মেয়ে নুসরাত জাহান @ শাবনাজ (২৮) এর সহিত বিবাহ হয়। বর্তমানে তাদের আট বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিবাহের পর হইতে বিভিন্ন সময় বাদীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের সাংসারিক প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসতে বলে। বাদীর মেয়ে আনতে রাজি না হলে বিবাদীগণ বাদীর মেয়েকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায়।

এমতাবস্থায় ১নং বিবাদের শহীদ গত ১৬ এপ্রিল সকাল অনুমান ১০ টার সময় বাদীর মেয়ের পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এই কথা কাটাকাটির এক পর্যাযে বিবাদীগণ বাদীর মেয়েকে মারপিট করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রেখেছে বলে অভিযোগের উল্লেখ করেছেন। এরপর দুপুর অনুমান ১টার দিকে বাদীর মোবাইলে ফোন করে বাদীর মেয়েকে বিবাদীগণ তাদের বাড়িতে পাচ্ছে না বলে জানালে বাদী এবং বাদীর স্ত্রী বিবাদীদের বাড়িতে গিয়ে বাদীর নাতনি সহ আশেপাশের লোকজনের কাছে মেয়ের কথা জানতে চাইলে তারা বলেন যে বিবাদীগণ বাদীর মেয়েকে মারপিট করে তাদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন।

বাদী এই কথা শুনে ১ নং বিবাদ এর কাছে উক্ত বিষয়ে কারণ জানতে চাইলে বাদীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সব মারপিট করার হুমকি প্রদান করে বিবাদেরদের বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। এমনকি বিবাদীগণ বাদীকে এবং বাদীর স্ত্রীকে মারপিট করার হুমকি প্রদান করে বলে যে উক্ত বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে পরিনাম খুব খারাপ হবে ও তাদের মেয়ের জীবনে বড় ধরনের ক্ষতি সাধন করবে বলে হুমকি দিয়েছে। বাদীর মেয়ে বাদীর নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকাসহ সাংসারিক জিনিসপত্র অনুমান ৫ লক্ষ টাকার এনে দেয় বলে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

ঘটনার বিষয়ে জুয়েল রানা @ ডলার বলেন, আমিই ডলার। আমাদের সম্পর্কের মাধ্যমে বিবাহ হয়। আমি কখনো ওকে মারিনী এবং কখনো ওকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা পয়সা আনতে বলিনি। আমিও একটি জিডি করেছি।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমার নিকট সাইদুর ইসলাম নামের এক ব্যাক্তি অভিযোগ  করেছেন। একই ঘটনায় তার জামাই জুয়েল রানা @ ডলার তার স্ত্রী হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সাধারণ ডায়রী করেছেন। উভয়ের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে বোঝা যাবে তাদের মধ্যে মুল রহস্য কি?


















 ঝিকরগাছায় ৭টি তরতাজা গাঁজার গাছসহ ব্যবসায়ী মজনু আটক

ঝিকরগাছায় ৭টি তরতাজা গাঁজার গাছসহ ব্যবসায়ী মজনু আটক

 ঝিকরগাছায় ৭টি তরতাজা গাঁজার গাছসহ ব্যবসায়ী মজনু আটক 

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা থানা পুলিশের অভিযানে ৭টি তরতাজা গাঁজার গাছ সহ গাজা সেবনকারী ও ব্যবসায়ী মো. মজনু (৪০) কে আটক করা হয়েছে। আটককৃত আসামী উপজেলার নির্বাসখোলা ইউনিয়নের বল্লা গ্রামের মৃত সোবহানের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আসামীকে মঙ্গলবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়, ঝিকরগাছা থানা প্রশাসনের অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন ভুঁইয়ার মাদকদ্রব্যের উপর জিরো টরারেন্স ঘোষনার উপর জোর দিয়ে তারই নিদের্শনায় থানার অন্তগত শিওরদাহ পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই (নি.) দেবব্রত ঘোষ সোমবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টা ১৫মিনিটের সময় গোপন সংবাদের উপর ভিত্তি করে রাত ৯টা ২০মিনিটের সময় বল্লা বেলেরমাঠ এলাকায় ভোগদখলীয় পেঁপে ক্ষেতের পশ্চিম পার্শ্বে গাঁজা গাছা পরিচর্যাকালীন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে ভিন্ন সাইজের ৭টি তরতাজা গাঁজার গাছ সহ গাজা সেবনকারী ও ব্যবসায়ী মো. মজনু (৪০) কে আটক করেছেন। তার বিরুদ্ধে রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং ০৩, তারিখ-০১/০৪/২০২৪ইং। 

এসময় শিওরদাহ পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই (নিঃ) দেবব্রত ঘোষের সাথে উপস্থিত ছিলেন, এএসআই (নি.) সোহেল রানা, কনস্টেবল গোবিন্দ ঘোষ, হানিফ আহমেদ, জাকির হোসেন।

থানা অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, আসামী অবৈধ মাদকদ্রব্যের গাঁজা গাছ চাষের মাধ্যমে অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৮সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ৩৬(১) টেবিলের ১৮(ক) ধারা মোতাবেক মামলা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) তাকে বিচারের জন্য বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঝিকরগাছার শিওরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তথ্য দিতে অস্বিকার : প্রধান শিক্ষকের খুটির জোর কোথায় !

ঝিকরগাছার শিওরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তথ্য দিতে অস্বিকার : প্রধান শিক্ষকের খুটির জোর কোথায় !

ঝিকরগাছার শিওরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তথ্য দিতে অস্বিকার : প্রধান শিক্ষকের খুটির জোর কোথায় !

আফজাল হোসেন চাঁদ : 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিওরদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও কামরুজ্জামান মোঃ জাহাঙ্গীর হুসাইন মিঞা। উক্ত নির্বাচনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক ১১ মার্চ, উমাশিঅ/ঝিকর/২০২৪/৬৭ নং স্মারকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণির সদস্য নির্বাচন সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সকল সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

তবে ২০ মার্চ সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার পূর্বের প্রতিবেদন ঘষামাজা করে প্রধান শিক্ষক কার্তিক কুমারকে তার দপ্তরে ডেকে নিয়ে পূর্বে তারিখ বা বেক ডেট অনুযায়ী আবারও প্রতিবেদন দিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নড়েচড়ে বসে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা চালিয়েছেন। আবার এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কার্তিক কুমারের বক্তব্যে পাওয়া যায়, নগদ ৪১হাজার টাকা দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা টাকা গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে ৪১হাজার টাকার উপরে খরচ হয়েছে। নির্বাচন কেন্দ্রিক সম্পূর্ণ খরচের হিসাবের মাস্টার রুল দেখতে চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক স্থানীয় সংবাদকর্মীদেরকে তথ্য দিতে অস্বিকার করেন।

নির্বাচনে ১০জনের নিকট হতে মাথা প্রতি নমিনেশন বিক্রয় করা ১হাজার টাকার বিনিময়ে। তাহলে বিদ্যালয় থেকে নির্বাচন কেন্দ্রিক ৪১হাজার টাকার উপরে খরচ করা হল সেটার তথ্য প্রধান শিক্ষক যে সংবাদকর্মীদের তথ্য দিতে অস্বিকার করছে এই প্রধান শিক্ষকের খুঁটির জোর কোথায় ! তিনি বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য থাকারপরও ছুটির লিখিত আবেদন ব্যতীত সভাপতির সাথে আতাত করে অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন।

প্রধান শিক্ষক কার্তিক কুমার বলেন, যারা ম্যানেজিং কমিটিতে আছে তাদের নিকট তথ্য আছে। আপনাদের কে আর কোন তথ্য দেওয়া হবে না। তথ্য পেতে হলে কমিটির লোকদের সাথে যোগাযোগ করেন।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান সভাপতি মো. আঃ ছাত্তার বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রিক সকল খরচ করেছেন প্রধান শিক্ষক। আমি কোন টাকা খরচ করেনি। প্রধান শিক্ষক সংবাদকর্মীদের তথ্য দিতে চাচ্ছে না এই সম্পর্কে তিনি বলেন, তিনি যেহেতু সব খরচ করেছেন। তাহলে তিনি কি জন্য আপনাদেরকে তথ্য দেবে না। তার তো আপনাদের সকল তথ্য দেওয়া উচিৎ।