আফজাল হোসেন চাঁদ, প্রকাশক ও সম্পাদক, চাঁদনী বিডি. কম ডেস্ক : দেশের বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ক্রমাগতই বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বিভিন্ন প্রকার প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শুধুমাত্র আমাদের দেশের প্রতিটি নাগরিককে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু আমরা সেটাকে কোন ভাবে মানছি না। সারাদেশে পুলিশ, সেনাবাহিনী, প্রশাসন তারপরও কেন নিয়ন্ত্রণে নেই। ক্রমাগতই কোথাও না কোথাও যেন সমস্যা লেগেই আছে। যদি এই মূহুর্তে বাহিরের বা রাস্তার লোকদেরকে ঘরে না নেয়া যায়, তাহলে হয়তো যেখানে সেখানে লাশ পড়ে থাকবে। এমন কি দাফন করার জন্য কোন লোক পাওয়া যাবেনা। তাইতো সারা বিশ্বে চলছে লকডাউন। এই লকডাউনের কারণে কোটি কোটি মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে এবং বাঁচার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে সর্বদা প্রার্থনা করছে। সারা বিশ্ব থেকে প্রতিমুহূর্তে মানুষ না ফেরার দেশে চলে যাচ্ছে। এরপরও কেন আমরা সরকারি আইনকে অমান্য করে অবাধে চলাচল করছি। যার করণে এলাকার মধ্যে করোনা ভাইরাস সনাক্তের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলা প্রশাসক ইতিমধ্যে যশোর জেলাকে লকডাউন ঘোষনা করেছেন। তবুও একশ্রেণির আমজনতা তাদের কোন কাজ না থাকলেও তারা অহেতুক অবাধে চলাচল করছে।
ঝিকরগাছা থানার আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার এমন কোন স্থান নাই যেখানে আমি ও আমার কর্তব্যরত অফিসারা গিয়ে প্রতিটা স্থানে করোনা ভাইরাস’র থেকে রক্ষা পেতে জনসচেতনামুলক প্রচার এবং ঘরে থাকার আহবান জানিয়েছি। এবং প্রতিনিয়ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছি। তবুও কিছু মানুষ আমাদের সাথে লুকোচুির খেলা করছে। আমাদের দেখলে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমরা চলে গেলে তারা আবারও একসাথে হয়ে লোকের সমাগম করছে। এতে করে তারা তাদের নিজেদেরই ক্ষতি নিজেরাই ডেকে আনছে। সরকারের নির্দেশ তারা না মেনে অন্যায় করছে। সেটা সে বুঝতে পারছে। তবুও তারা ক্রমাগতই সেই অন্যায় করেই চলেছে। এখন আমরা এমন একটা পর্যায়ে চলেগেছি যে, ‘আমাদের দোষ আমরা বুঝেও না বোঝার ভান ধরি’। আমাদের এখনই সময় সচেতন হওয়ার এবং ঘরে থাকার। নয়তো মহামারী করোনা ভাইরাসের ছোবল থেকে আমরা কেউই রক্ষা পাবো না।

0 মন্তব্য(গুলি):