তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্যপ্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
 স্মার্ট ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ঝিকরগাছায় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্মার্ট ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ঝিকরগাছায় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 স্মার্ট ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষ্যে ঝিকরগাছায় শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আফজাল হোসেন চাঁদ :

স্মার্ট ভূমি সেবা, স্মার্ট নাগরিক এই স্লোগানকে সামনে রেখে যশোরের ঝিকরগাছায় স্মার্ট ভূমি সেবা সপ্তাহ-২০২৪ উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার সকাল ১০টার সময় উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা পরিষদের ভিডিও কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নারায়ন চন্দ্র পাল। এসময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সরকার ডিজিটাল দেশ থেকে এখন স্মার্ট দেশের দিকে অগ্রসর হতে যাচ্ছে। সেই সাথে স্মার্ট ভূমি কর্যক্রমে আমাদের সেবা সাধারণ মানুষের জন্য হাতের মুঠোয় চলে যাবে এবং বাড়িতে বসেই সরকারি সেবা নিতে পারবেন। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে, এম, মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার এস এম শাহজাহান সিরাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, ঝিকরগাছা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন চাঁদ, ইউনিয়ন ভূমি অফিসার (নায়েব) আবুল খায়ের, খালেদ সাইফুল আজম, নিসার উদ্দিন আল আজাদ, জাকির হোসেন, মনিরা জেসমিন, সালমা খাতুন, বিত্তম কুমার, আক্তারুজ্জামান সবুজ, আইয়ুব হোসেন, পারভিন নাহার, উপজেলা ভূমি অফিসের পেশকার তৌফিকুল ইসলাম, নাজির (ভারপ্রাপ্ত) শিশির কুমার দাস, মিউটেশন সহকারী নাজমুল হুসাইন, প্রধান সহকারী শাহানারা পারভিন, সার্টিফিকেট সহকারী মোনালিসা আক্তার, স্কুলের শিক্ষার্থী সহ আরও অনেকে।


মানুষের জীবন বাঁচানো ও অসহায় মানুয়ের পাশে থাকাটাই আমার তৃপ্তি : রক্তের ফেরিওয়ালা বাবু মাস্টার

মানুষের জীবন বাঁচানো ও অসহায় মানুয়ের পাশে থাকাটাই আমার তৃপ্তি : রক্তের ফেরিওয়ালা বাবু মাস্টার

আফজাল হোসেন চাঁদ :

                                 মানুষের জীবন বাঁচানো ও অসহায় মানুয়ের পাশে থাকাটাই তার তৃপ্তি, আর এই তৃপ্তি নিয়ে কাজ করে চলেছেন রক্তের ফেরিওয়ালা চৌধুরী আশরাফুজ্জামান বাবু ওরফে বাবু মাস্টার। ১৯৭৭সালে ২১ সেপ্টেম্বর কৃষ্ণনগর খালপাড়া গ্রামে মোঃ মহসিন চৌধুরী ও মোছাঃ আয়েশা খাতুনের কোল আলোকিত করে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি এসএসসি(বিজ্ঞান বিভাগ) ১৯৯২ ঝিকরগাছা এম এল হাই স্কুল ১ম বিভাগ, এইচএসসি(বিজ্ঞান বিভাগ) ১৯৯৪ ঝিকরগাছা শহীদ মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজ ১ম বিভাগ ও বিএসসি ১৯৯৬ একই কলেজ থেকে ২য় শ্রেণি, বিএড ২০০১ সাল যশোর টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ১ম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৮সালে দিগদানা খোশালনগর দাখিল মাদ্রাসায় বিএসসি শিক্ষক হিসাবে চাকরি জীবন শুরু করেন। ২০১২ সাল থেকে ঝিকরগাছা দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসায় সিনিয়র সহকারী শিক্ষক বিএসসি(বিজ্ঞান) পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে অদ্যবধি চাকুরীরত আছেন। আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে ২০১২ সালে গণজাগরণ মঞ্চ, ২০১৭ সালে যশোর বেনাপোল মহাসড়ক নির্মানের দাবীতে ৩৮ কিলোমিটার মানববন্ধনের নেতৃত্ব দেন।

তারই নেতৃত্বে ঝিকরগাছা বাজারের উপর ২০১৮ সালের ২১ ফ্রেব্রুয়ারী  অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সেবা নামক একটি সংগঠন গড়ে ওঠে। যার শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির। বর্তমানে সংগঠনটি সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধনকৃত। নিবন্ধন নং ১৬৫৭/২১। সেই সময় থেকে আজ অবধি প্রতিষ্ঠাতাকালীন সভাপতি হিসেবে সততার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন বাবু মাস্টার। নিজ উপজেলা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সর্বমোট ১২শত মানুষের জন্য রক্তের ব্যবস্থা, সংগঠনের মাধ্যমে সমাজের একেবারে নিম্নস্তরের মানুষকে চিকিৎসা সহযোগিতা, গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণ, ভ্যান, সেলাইমেশিন কিনে দেওয়া, রমজানে ৫৭০টি পরিবারের কাছে একমাসের ইফতার সামগ্রী, দরিদ্র মানুষের মধ্যে ঈদের উপহার শাড়ি লুঙ্গী ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন।

করোনাকালীন সময়ে লকডাউনের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী, মাস্ক, লিফলেট, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে সহযোগিতা সহ করোনা সচেতনতায় মাইকিং, ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্সরে মেশিন সর্বদা চালু রাখতে ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ২৪ঘন্টা একটি ঔষধের দোকান খোলা রাখা, ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনা টিকাদানে সরকারকে সহযোগিতা করতে কেন্দ্রে কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক পাঠান। এছাড়াও বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে স্টপেজ পেতে, যশোর বেনাপোল মহাসড়কের মৃত ও ঝুকিপূর্ণ গাছ অপসারণের দাবীতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, যশোর বেনাপোল মহাসড়ক নির্মাণ এবং সর্বশেষ ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদের উপর নবনির্মিত অপরিকল্পিত সেতু অপসারণের দাবিতে আন্দোলন ও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণে নেতৃত্ব প্রদান করেন।

ছোটবেলা থেকে স্বেচ্ছাসেবীদেরকে ভালোবাসতেন এবং নিজেও বড় হয়ে স্বেচ্ছাসেবী  হিসেবে বিভিন্ন ভাবে দক্ষতা ও সফলতা দেখিয়েছেন। ধার্মিক, মিষ্টভাষী ও ভদ্র। নিজ এলাকায় তাকে সবাই খুব পছন্দ করে। অন্যকে সাহায্য করতে কখনো দ্বিতীয় বার চিন্তা করেন না। কালের পরিক্রমায় আজ রক্তের ফেরিওয়ালা হয়ে উঠেছেন চৌধুরী আশরাফুজ্জামান বাবু ওরফে বাবু মাস্টার। তার হাত ধরে  ‘রক্ত ভান্ডার’ হয়েছে অনেক সমৃদ্ধ। রক্তদান হয়েছে শত শত ব্যাগ। যাতে উপকৃত হয়েছে চেনা-জানার পাশাপাশি শত শত অজানা ব্যক্তি। মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম করুণায় নতুন করে জীবন ফিরে পেয়েছে শত-শত রোগী। যার পেছনে রয়েছে রক্তের ফেরিওয়ালা বাবু মাস্টারের অপরিসীম অবদান।

কি রাত! কি দিন কারোও রক্তের প্রয়োজনে বা কেউ কোন সমস্যায় থাকলে এর সমাধান মানে বাবু মাস্টার। আর বাবু মাস্টারও কাউকে নিরাশ করে না, যে কোন ভাবেই বাবু মাস্টার তার কাছে সাহায্য চাওয়া সেই ব্যক্তিটিকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল হাতে সব সময় রক্ত খুঁজে ও রক্তদানে উৎসাহিত করতে তিনি একজন সচেতন নাগরিক। মানুষের রক্তের গ্রুপ জানা, বিপদে থাকা মানুষকে সাহায্য করতে রক্ত দানে উৎসাহিত করে দিনের বেশির ভাগ সময় কেটে যায়। প্রথম দিকে স্বেচ্ছায় ফ্রি রক্ত দিলেও, বতর্মানে এক্সচেইঞ্জ সিস্টেমের মাধ্যমেও রক্ত দেয়। এখন কোন রোগীকে রক্ত দিলে, এক ব্যাগ রক্তের বিনিময়ে সেই রোগীর কোন আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায় করে নেন।

যতোদিন বাঁচবে ততোদিন মানুষের উপকার করে যাবে বলে চাঁদনী বিডিতে দেওয়া স্বাক্ষাৎকারে রক্তের ফেরিওয়ালা চৌধুরী আশরাফুজ্জামান বাবু ওরফে বাবু মাস্টার বলেন, রক্তদান ও সংগ্রহ করে মানুষের জীবন বাঁচানো ও অসহায় মানুষের পাশে থাকাটাই আমার তৃপ্তি। আমি ২০১৮সালের পূর্বে থেকে এই কাজে জড়িত আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। নিজে ২২ বার রক্তদান করেছি, ইনশাআল্লাহ যতদিন বাঁচবো, রক্তদান করে যাবো, কোনো রোগীর রক্ত প্রয়োজন হলে সঙ্গে সঙ্গে স্বেচ্ছায় রক্তের ব্যবস্থা করে থাকি। কেউ রক্তদান করতে চাইলে অথবা কারো ডোনারের প্রয়োজন হলে দুজনেরই রক্তের গ্রুপ, নাম ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর রেজিষ্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা হয়। পরে কারো রক্তের প্রয়োজন হলে ওই রেজিষ্ট্রারের লিস্ট অনুযায়ী আগ্রহী রক্তদাতাদের সহযোগীতায় স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহ প্রদানকরি। এতে করে ওই রোগীদের জীবনে আশার আলো জাগে।

আমাদের সমাজে বেশির ভাগ মানুষই রক্ত দিতে ভয় পায়। এই ভয় থেকেই নিজের আত্মীয়-স্বজনকেও রক্ত দেওয়া থেকে বিরত থাকে। আর আমি মানুষের এই ভয়কে দূর করার জন্যই বিপদের সময় রক্ত দেই তবে কৌশলে তাদের (অন্য রোগী) কাছ থেকে পরবর্তি সময়ে স্বেচ্ছায় রক্তদানের প্রতিশ্রুতি আদায় করি, যাতে করে সমাজে স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের সমাজে স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে আর কোন মানুষ রক্তের অভাবে অকালে মারা যাবে না। আমি শুধু ঝিকরগাছা উপজেলাতে নয় বরং সেবা সংগঠনের মাধ্যেমে সারা বাংলাদেশ জুড়ে কাজ করতে চাই। এছাড়াও আমাদের এই সেবা সংগঠনকে সাধারণ মানুষের মুখপাত্র হিসেবে এগিয়ে নিতে চাই। আমি আজীবন মানুষের পাশে থেকে তাদের উপকার করে যেতে চাই।


যশোর উপজেলার উপনির্বাচনে নৌকার মাঝিকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ার হোসেন

যশোর উপজেলার উপনির্বাচনে নৌকার মাঝিকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ার হোসেন

যশোর উপজেলার উপনির্বাচনে নৌকার মাঝিকে অভিনন্দন জানিয়েছে
যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য  আনোয়ার হোসেন
আফজাল হোসেন চাঁদ :
যশোর সদর উপজেলার উপনির্বাচনে নতুন নৌকার মাঝি হলেন মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী। তাকে শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসেন।
rআগামী ৭ অক্টোবর যশোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নুরজাহান ইসলাম নীরার মৃত্যুতে পদটি শূন্য ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে যশোর সদর উপজেলার উপনির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হয়েছেন মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার কৃতি সন্তান আনোয়ার হোসেন শনিবার গণমাধ্যমকর্মীদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আবারো যোগ্য নেতৃত্ব প্রমাণ দিলেন। যশোর সদর উপজেলার উপনির্বাচনে নতুন নৌকার মাঝি করলেন মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ভাইকে। মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ভাই ছিলেন, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক  সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। পরবর্তীতে যশোর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে যশোর জেলা আওয়ামিলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী ভাই যশোর সদর উপজেলার উপ নির্বাচনে আমাদের দলীয় নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দেওয়ায় আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা এবং যশোর সদর উপজেলার উপনির্বাচনে নতুন নৌকার মাঝি হিসাবে মনোনীত শ্রদ্ধেয় বড় ভাই মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী কে আমার পক্ষ হতে শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।

 আধুনিক প্রযুক্তিতে পাট চাষে ৯০ দিনেই সফল তরুণ উদ্যোক্তা মিঠুন সরকার

আধুনিক প্রযুক্তিতে পাট চাষে ৯০ দিনেই সফল তরুণ উদ্যোক্তা মিঠুন সরকার

আফজাল হোসেন চাঁদ :

আধুনিক কৃষির ধারণা থেকে নিজের উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ভারতের বারি মহারাষ্ট্র-১ জাতের পাট চাষ করে মাত্র ৯০ দিনে সফল হয়েছে তরুণ উদ্যোক্তা মিঠুন সরকার (২৩)। সে উপজেলার সন্তোষনগর গ্রামের মৃত দিলীপ সরকারের ছেলে। ৩০ জুন ২০২০ এ লিভার জনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোক গমন করেন। বাবার মৃত্যুতে তার উপর শোকের ছায়ালেগে থাকলেও মায়ের ভালোবাসার পরশে সংসারের হাল ধরতে হয় তাকে। তবুও তার পড়াশুনা থেমে যায়নি। বর্তমানে মিঠুন সরকার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রের ঝিনাইদহ এগ্রিকালচারাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে 'ব্যাচেলর অব এগ্রিকালচারাল এডুকেশন" এ অধ্যায়নরত।

পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার রেখে যাওয়া ৬৯ শতাংশ দু ফসলী জমিতে তিন ফসলীতে পরিণত করে ক্রমাগতই আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে এবং এলাকার মধ্যে একজন সফল উদ্যেক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সে লাইনিং পদ্ধতিতে পাটের বীজ বপন করে কাঙ্খিত ফলন ঠিক রেখে মাত্র ১২৫ দিনের পাট চাষকে ৯০ দিনে নিয়ে এসে এলাকার মানুষের মাঝে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। লাইনিং পদ্ধতিতে তার জমিতে পাট চাষ করে শ্রমিক, সেচ এবং সার কম লাগে ও বিভিন্ন রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হওয়ায় অন্যান্যদের চেয়ে বিঘাপ্রতি উৎপাদন ব্যয় কমেছে শতকরা ৫০ শতাংশ। এছাড়াও উৎপাদন হয়েছে বিঘাপ্রতি প্রায় ১২মণ পাট।  

এ বিষয়ে তরুণ উদ্যোক্তা মিঠুন সরকার বলেন, ‘আধুনিক পাট চাষে সফলতার পিছনে নিজের মেধাকে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এছাড়াও উপজেলা কৃষি অফিসার ও গবেষণা কাজে সব সময় উৎসাহ এবং সার্বিক সহযোগিতা  দিয়ে এসেছে ঝিনাইদহ এগ্রিকালচারাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট’। 

উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, আমাদের উপজেলার অর্ন্তগত মাগুরা ইউনিয়নের ক্ষুদে একজন উদ্যোক্তা হলো মিঠুন সরকার। সে এমাগতই চাষাবাদের মাধ্যমে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। একজন উদ্যোক্তার সফল হতে যে গুন দরকার হয় সেটা তার মধ্যে রয়েছে। আমি আশাকরি সে তার লক্ষ্য পূরণ করে একদিন উপজেলার মধ্যে সফল উদ্যোক্তা হবে। 

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যশোর আঞ্চলিক কেন্দ্রের ঝিনাইদহ এগ্রিকালচারাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের কো-অর্ডিনেটিং অফিসার এমএস শাহনাজ ফেরদৌস বলেন, ‘ আমরা প্রতিটা শিক্ষার্থীদের সমান গুরুত্বের সাথে বন্ধুত্ব সুলভ আচরণের মাধ্যমে পাঠদান করে থাকি। মিঠুন সরকার সবসময় আমাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে গবেষণার সার্বিক পরামর্শ গ্রহণ করেছেন। তাঁর এ সাফল্যে আমরা গর্বিত।


মানুষের অসম্ভব বলে কিছুই নেই....জেলা প্রশাসক (ভারঃ) হুসাইন শওকত

মানুষের অসম্ভব বলে কিছুই নেই....জেলা প্রশাসক (ভারঃ) হুসাইন শওকত

 ঝিকরগাছায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য বই পড়ি'র পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা

মানুষের অসম্ভব বলে কিছুই নেই....জেলা প্রশাসক (ভারঃ) হুসাইন শওকত

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছায় এগিয়ে যাওয়ার জন্য বই পড়ি'র পুরস্কার বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্পন-দর্পণ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ও জাগ্রত ঝিকরগাছা সংগঠনের সহযোগিতায় শনিবার সকালে ঝিকরগাছা দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে লেখক রাশেদুল ইসলামের ‘লকডাউনে আমার মা’ নামক বইয়ের উপর আলোচনা করেন, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যশোরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোঃ হুসাইন শওকত।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, মানুষের অসম্ভব বলে কিছুই নেই, তারই বাস্তব প্রমাণ দিলো আমার জেলার মধ্যে ঝিকরগাছা উপজেলার শিক্ষার্থীরা। এই লকডাউনের মধ্যে আমাদের শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি, পাঠ্যপুস্তকের বাহিরে ‘লকডাউন আমার মা’ নামক আরেকটি পুস্তক পাঠ্যকরে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বই পড়ি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আজ তারা পুরস্কার প্রাপ্ত হয়েছে। তাদেরসহ সকলকে আমার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানায়।

দেশবরেণ্য কথাসাহিত্যিক ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য বই পড়ি কমিটির ঝিকরগাছা পর্বের আহ্বায়ক হোসেনউদ্দীন হোসেন'র সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাপক, কবি ও গবেষক ডক্টর সাঈফ ফাতেউর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল হক, জেলা শিক্ষা অফিসার একেএম গোলাম আযম, অর্পন-দর্পণ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শারমিনা পারভিন, অর্পন-দর্পণ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রধান নির্বাহী ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য বই পড়ি প্রতিযোগিতার আলোচ্য বইয়ের লেখক মোঃ রাশেদুল ইসলাম, ঝিকরগাছা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদ প্রমুখ।

জাগ্রত ঝিকরগাছার নির্বাহী পরিচালক মাহাবুব শাহারিয়ার অনুষ্ঠান সম্পর্কে বলেন, সারাদেশের মধ্যে অর্পন-দর্পণ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রথম পর্ব ঝিকরগাছা উপজেলায় আয়োজন করায় আমরা গর্বিত।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জাগ্রত ঝিকরগাছা সংগঠনের উদ্যোক্তা ফারহানা বিলকিস ও শিরিন সুলতানা।