আফজাল হোসেন চাঁদ :
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামের মৃত মোরশেদ আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন ও তার সন্তান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি পদ থেকে সম্প্রতি সাময়িক স্থগিত হওয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নামধারী ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জালিয়াতি এবং নিজ উপজেলায় ২৫০জনের টিউবওয়েলের অর্থ আত্মসাৎকারী কথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন’র বিরুদ্ধে মাননীয় মুক্তিযোদ্দা মন্ত্রী, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা নির্বাচন অফিসকে জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন সেবা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিকের সংবাদকর্মী আশরাফুজ্জামান বাবু।তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণের জন্য স্থানীয় সংবাদকর্মীরা মাঠে নামলে এলাকাবাসীদের মনে সাহস জন্ম নেয় এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, মশিয়ার রহমান নামের একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১৩ সালের জুলাই থেকে ২০২২সালের নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে চলেছে উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামের মৃত মোরশেদ আলীর স্ত্রী আমেনা বেগম নামের একব্যক্তি। তার এমন কাজের সার্বিক সহযোগিতা করেছেন তারই বড় সন্তান বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি পদ থেকে সম্প্রতি সাময়িক স্থগিত হওয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নামধারী ও নিজ উপজেলায় ২৫০জনের টিউবওয়েলের অর্থ আত্মসাৎকারী এবং গ্রাম্য চিকিৎসক তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন।
প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মৃত মশিয়ার রহমানের ভারতীয় তালিকায় নং ৪৭৭৫৩, বেসামরিক গেজেট নং ১৬৪৫। তার পিতা তারা চাঁদ মন্ডল হওয়ায় বর্তমান সেটা কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামের তারা চাঁদ মন্ডলের ছেলে মোরশেদ আলীকে তার সন্তান তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল নিজের নামের জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রে স্বামীর নাম নিজে পরিবর্তন করে জালিয়াতির মাধ্যমে এই মশিয়ার রহমান নামের মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আত্মসাৎ করছে। তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন (১৯৮২৪১১২৩৭১৯২০৮৬৩) ও তার মাতা আমেনা খাতুন (১৯৬২৪১১২৩৭১৮৬৮৭০২) এর বাংলাদেশ সরকারের অধিনে তথ্য ভান্ডারে জাতীয় পরিচয়পত্রে সার্ভারে অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, বিলাল হোসেনের পিতার নাম ও তার মাতা আমেনা খাতুনের স্বামীর নাম মোরশেদ আলী। তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন তার দাদা তারা চাঁদ মন্ডলের নামের সাথে মিল খুজে পাওয়ায় তিনি এই অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছেন। নিজের ও তার মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রে জালিয়াতি করার কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি।
এছাড়াও তার প্রতারণার নতুন আর একটি কৌশল হল নিজের পকেটের অর্থ ব্যয় করে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে বড় মাপের দানশীল সেজে এলাকার বিভিন্ন ছোট বড় অনুষ্ঠান অতিথি হয়ে ক্রেস সংগ্রহ করা। তার সকল পরামর্শ দাতা হিসেবে আছে পার্শ্ববর্তী শার্শা উপজেলার একজন সুনামধন্য ব্যক্তি এবং সহযোগী হিসেবে থাকেন তার একই এলাকার সাদা মনের মানুষ খ্যাত একব্যক্তি। সে কি করে নিজের মনে মনে সাদা মনের মানুষ খ্যাত পদ অর্জন করল সেটা এলাকার সচেতন মহল বুঝতে পারে না। ইতিমধ্যে ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়াতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি পদ থেকে সম্প্রতি সাময়িক স্থগিত হওয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নামধারী ও নিজ উপজেলায় ২৫০জনের টিউবওয়েলের অর্থ আত্মসাৎকারী এবং গ্রাম্য চিকিৎসক তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন এর জালিয়াতি ও ২৫০জনের টিউবওয়েলের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা মিডিয়াতে প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে গত রবিবার (০৪ ডিসেম্বর) রাতেই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল’র চেয়ারম্যান মোঃ সোলাইমান মিয়া ও মহাসচিব শফিকুল ইসলাম বাবুুর অনুমতিক্রমে যশোর জেলার আহবায়ক কমিটির আহবায়ক কাজী টিটো ও সদস্য সচিব শাফি সমুদ্র এর স্বাক্ষরিত একটি সাংগঠনিক আদেশে ঝিকরগাছা উপজেলা কমান্ড কাউন্সিল ও উপজেলার শিওরদাহ গ্রামের স্বপ্নের ছোয়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সায়েদ আলী স্বপ্নের ছোয়া সংগঠনের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেনকে সভাপতি পদ থেকে সাময়িক স্থগিত করেছেন।
পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া গ্রামের তারা চাঁদ মন্ডলের ছেলে মোরশেদ আলী। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারে ১৯৯৯সালের ২০ জুলাই ৫৫বছর বয়সে জন্ডীস রোগে মৃত্যুবরণ করেন। মোরশেদ এর মৃত্যুর ২৩ বছর পর ইউনিয়ন পরিষদের রেজিস্ট্রারে মোরশেদ নামের পর সংযুক্ত হল মশিয়ার। যার বুনিয়াদে উদোক্তার নিকট হতে মৃত্যু নিবন্ধন সনদের আবেদন করে ৫/১২/২০২২ইং তারিখে মশিয়ার রহমানের নামের মৃত্যু নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করেন। অপরদিকে দেখা যাচ্ছে কুলিয়া মৌজায় ১৮৪নং খতিয়ানে তারা চাদ এর ওয়ারিশ সূত্রে জমি মালিক হচ্ছেন তার ছেলে জিন্নত উল্যা, খোরশেদ আলী, মোরশেদ আলী, জাহেদ আলী ও রাজ্জাক আলী। এখানে মশিয়ার রহমান নামে তারা চাদ এর কোনো ছেলে বা সন্তানের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায় না এবং একই মৌজায় ৮৯নং খতিয়ানে মোরশেদ আলীর স্ত্রী হিসেবে আমেনা খাতুনের নাম পাওয়া যায়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দাদা তারা চাদ মন্ডলের নামে মিলে যাওয়ার করণে কথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেনের পিতা মশিয়ার রহমানের রূপ নিয়ে ২০১৩ সাল হতে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আত্মসাৎ করছে তার মাতা আমেনা খাতুন কে নমিনী করে। আর আমেনা খাতুনের নমিনী কথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন।
বর্তমানে উপজেলার মধ্যে তারা চাদ এর ছেলে মশিয়ার রহমানের মুক্তিযোদ্ধার সনদ থাকলেও নেই কোনো অস্তিত্ব। তারপরেও কাগজপত্রে অস্তিত্ববিহীন মশিয়ার রহমানের মৃত্যু সনদ ব্যবহার করে পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের মশিয়ারের নামে দু’তরফা ওয়ারিশ সনদে স্বাক্ষর করেছেন সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মিসেস হাসনা হেনা ২/১০/২০২২ইং তারিখে স্বাক্ষরিত ওয়ারিশ সনদে পুত্র বিল্লাল হোসেন, জয়নাল হোসেন, কন্যা মঞ্জুয়ারা বেগম, মনোয়ারা বেগম, মাসুরা খাতুন, স্ত্রী মৃত ছালেহা বেগম ও আমেনা বেগম। আবার একই ব্যক্তির ওয়ারিশ সনদ ইউপি সদস্য মিলন হোসেন ১/১২/২০২২ইং তারিখে স্বাক্ষরিত ওয়ারিশ সনদে পুত্র বিল্লাল হোসেন, জয়নাল আবেদিন, কন্যা মনোয়ারা বেগম, মাছুরা খাতুন, স্ত্রী আমেনা বেগম। কন্যা মঞ্জুয়ারা বেগম ও স্ত্রী মৃত ছালেহা বেগমের নাম বাদ দিয়ে ওয়ারিশ সনদ দিয়েছে। উল্লেখিত কাগজপত্র সংগ্রহ করে কথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন নিজের, তার ও ভাইয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম মোরশেদ আলী, মাতা আমেনা খাতুনের স্বামীর নাম মোরশেদ আলীর পরিবর্তীতে মশিয়ার রহমান করার প্রচেষ্ঠা করছে।
ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় সংবাদকর্মীরা জানতে পেরে পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের সংবাদ অনুসন্ধানে গিয়ে সচিব ফরহাদ হোসেনের নিকট কথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেনের পিতার মোরশেদ আলীর বিপরীতে মশিয়ার রহমান করে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে। সচিব বলেন, ওটা উদোক্তা রাজিব হোসেন আবেদন করেছে। উদোক্তা রাজিবের নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিল্লাল আমার নিটক সকল কাগজপত্র দেখালে আমি আবেদন করে দি। তখন সংবাদকর্মীরা সকল কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি ফাইল বের করে কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেন না। পরবর্তীতে মোরশেদ আলীর মৃত্যুর রেজিষ্ট্রার দেখতে চাওয়া হলে সেখানে দেখা যায়, ২৩বছর আগের লেখা মোরশেদ আর বর্তমানে মশিয়ার লেখা পাওয়া যায়। মোরশেদ মারা গেছে জন্ডিশ রোগে আর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সার্টিফিকেট দিচ্ছে মশিয়ার রহমান মারা গেছে হৃদ রোগের কারণে। তখন সংবাদকর্মীরা নতুন হাতের লেখা সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের উপস্থিত সকলে বলে এটা গ্রাম পুলিশ শাহ জামালের লেখা।
২০২১ সালের শেষের দিকে অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন এলাকাবাসীদেরকে বলে, সরকার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকুপ স্হাপন করবে। সে ঝিকরগাছা উপজেলার সভাপতি হিসাবে একশত টিউবওয়েল বরাদ্দ পেয়েছে। প্রতিটি টিউবওয়েল এর জন্য ২হাজার ৫শত টাকা হারে জমা দিতে হবে। আর নামমাত্র টাকায় আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েল পাওয়ার আশায় আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ আগ্রহ প্রকাশ করে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সুচতুর সভাপতি নামধারী বিল্লাল হোসেন প্রায় ২৫০জন লোকের নিকট থেকে প্রায় ৬ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
টিউবওয়েল গুলো ৩মাসের মধ্যে স্থাপনের কথা থাকলেও বছর পার হয়ে গেলেও আজ অবধি কেউ একটিও টিউবওয়েলও পায়নি। কেউ সেই টিউবওয়েলের কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, টিউবওয়েল হবে না আর টাকাও দিতে পারবো না। এই বিষয়ে পানিসারা ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড পানিসারা গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল আলিম ৩টি টিউবওয়েল নেওয়ার জন্য বিল্লালকে ৭,৫০০/- টাকা দেন। এখন টিউবওয়েল না পেয়ে বৃহস্পতিবার (০৮ ডিসেম্বর) রাতে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অপরদিকে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি পদ থেকে সম্প্রতি সাময়িক স্থগিত হওয়া, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নামধারী ও নিজ উপজেলায় ২৫০জনের টিউবওয়েলের অর্থ আত্মসাৎকারী এবং গ্রাম্য চিকিৎসক তথাকথিত ডাঃ বিল্লাল হোসেন নিজের অপকর্ম থেকে বাঁচতে বৃহস্পতিবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে মরহুম বীরমুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ঝিকরগাছা প্রেসক্লাবে বিল্লাল সংবাদ সম্মেলন করেন।
এসময় সে তার লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্রে মশিয়ার রহমান থাকলেও আমার বাবার ডাক নাম মোরশেদ আলী আসেনি। ফলে, সম্প্রতি মতিয়ার রহমান নামের একজন অসাধু ব্যক্তি আমার পিতার মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্রসহ সমুদয় কাগজপত্রে মোরশেদ আলী করে দেওয়ার জন্য ১লাখ ৫০হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু আমার পরিবার অসাধু ব্যক্তির দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করেন। যার কারণে তার পরিবারকে নিউজ প্রকাশ করে হেয়প্রতিপন্ন করছে বলে অভিযোগ তোলেন।
এ বিষয়ে জানতে আমেনা বেগমের গ্রামের বাড়ি কুলিয়া গেলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, তার স্বামীর নাম মশিয়ার আর লোকে ডাকতো মোরশেদ বলে। মশিয়ার নামে কোনো ডকুমেন্টস তিনি দেখাতে পারেননি। এসময় তিনি আরও বললেন, এ বিষয়ে সব আমার ছেলে বিল্লাল জানে।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের ঝিকরগাছা উপজেলা কমিটির সভাপতি ডাঃ বিল্লাল হোসেন সাথে যোগাযোগ করতে তার গ্রামের বাড়ি, শিওরদাহ বাজারের ফার্মিসীতে গিয়ে দেখা না পেয়ে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের যশোর জেলার কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য সচিব শাফি সমুদ্র বলেন, আমাদের সংগঠন থেকে এভাবে টিউবওয়েল দেওয়ার কোনো প্রকল্প নেই। সংগঠনের নাম ভাঙ্গিয়ে তিনি যদি টাকা আত্মসাত করেন তাহলে তার দায় দায়িত্ব তার। ইতিমধ্যে আমাদের সংগঠন থেকে তার পদ সাময়িক ভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
ঝিকরগাছা সেবা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিকের সংবাদকর্মী আশরাফুজ্জামান বাবু বলেন, আমি সহ আমার সহকর্মীদের নিয়ে এই মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জালিয়াতির তথ্য খুজে বের করে প্রতিকাতে উপস্থাপন করেছি। সেই সাথে পত্রিকার কপি সহ সমস্ত তথ্য দিয়ে আমি নিজে বাদি হয়ে মাননীয় মুক্তিযোদ্দা মন্ত্রী, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন, জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জ ও উপজেলা নির্বাচন অফিসকে জানিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছি।
ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহবুবুল হক বলেন, আশরাফুজ্জামান বাবু নামে একজন সংবাদকর্মী আমার নিকট একটি অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে তাদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংক ঝিকরগাছা শাখার ম্যানেজারকে দ্রুত তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

0 মন্তব্য(গুলি):