আধুনিক পদ্ধতিতে নতুন জাতের ফুল উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের বিদেশ ভ্রমন

SHARE
আফজাল হোসেন চাঁদ, প্রকাশক ও সম্পাদক, চাঁদনী বিডি. কম ডেস্ক : 
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ফুলের রাজ্যের অতি পরিচিত মুখ বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম ও সাধারণ সম্পাদক ইমাদুল হোসেনসহ সর্বমোট ১২ জনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময় সংক্রান্ত ১০ দিনের জন্য বুধবার সকাল ১১টার সময় হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ফিলাইটে অস্ট্রেলিয়া ও থাইল্যান্ড ভ্রমণে গেছেন। এই ভ্রমণের মূল লক্ষ্যে হল আধুনিক পদ্ধতিতে নতুন জাতের ফুল উৎপাদন ও বিদেশে বাজার সম্প্রসারণ।
১০ দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও থাইল্যান্ড ভ্রমণে তাদের সফর সঙ্গী হলেন মোঃ  ইউসুফ, আরিফুর রহমান অপু, দেওয়ান আশরাফুল, আলী ইমরান রেজা, নিখিল কুমার দাস, তৌহিদ রশিদ খান, মোঃ মাসুদ হোসেন পলাশ, মোঃ সুজাত হোসেন, মোঃ ইমামুল হোসেন, মোঃ টিপু সুলতান।
ভ্রমণটি মূলত কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে, কৃষি বিপণন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত বাজার কাঠামো, সংরক্ষণ ও পরিবহন সুবিধার মাধ্যমে ফুল বিপণন ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে ভ্রমণ কর্মসূচীটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম ফুল উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ইতোপূর্বে কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং প্রতিটি ভ্রমণে ঐ দেশের প্রযুক্তি আমাদের দেশে ফুল উৎপাদন ও বাজার ব্যবস্থা উন্নয়নে প্রয়োগ করেছে।
ভ্রমনের মাধ্যমে যে সকল প্রযুক্তি-জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং দেশে তার সফল বাস্তবায়ন করেছেন তার তথ্য হল নতুন জাতের ফুল জারবেরার চারার  সন্ধানে ২০০৬ সালে ৮ দিনের সফরে পশ্চিম বাংলা-ভারত। নতুন জাতের ফুল উৎপাদন পদ্ধতি দেখা, দিল্লীর আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ এবং সেড নির্মাণে যন্ত্রাংশ পরিদর্শনে ২০০৭ সালে ১০ দিনের সফরে বেঙ্গালোর, দিল্লী- ভারত।
আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণ এবং নতুন জাতের ফুল, জারবেরার চারা আমদানী করে ৫ জন কৃষকসহ নিজে প্রথম উৎপাদনে যায়, বর্তমানে জারবেরা ফুল দেশের জনপ্রিয় ফুল হিসেবে বাজার পেয়েছে। একই বছরে তিনি নিজে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভাবে প্রথম লিলিয়াম ফুল উৎপাদন করে সফলতা অর্জন করেন ২০০৭ সালের ১০দিনের সফরে পুনে, মহারাষ্ট- ভারত।
আন্তর্জাতিক ফুলের মেলায় অংশগ্রহণে দেশে উৎপাদিত ফুলের পরিচিতি লাভে ২০০৯ সালে ৯দিনের সফরে সিউল-দক্ষিণ কোরিয়া। দেশে উৎপাদিত ফুলের বাজার তৈরী করা ও পট ফ্লাওয়ার সম্পর্কে ধারণা গ্রহণে ২০১১ সালে ১০ দিনের সফরে সিউল-দক্ষিণ কোরিয়া।
চীনের বাজার পরিদর্শন, নতুন প্রযুক্তিতে ফুলউৎপাদন পদ্ধতি জানা ও রোজ ক্যাপ পদ্ধতি দেশে চালু করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে ৮দিনের সফরে বেইজিং-চীন, লিলিয়াম। ফুলের মাদার প্লান্ট আমদানী এবং বিশ্বের সব থেকে বড় বাজার ফ্লোরিক্স ফ্লোরা মার্কেট পরিদর্শন, পরবর্তীতে দেশে ঐ ধরণের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে ফুল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও আধুনিক ভাবে ফুলের বাজার স্থাপন করেন ২০১৬ সালে ৭দিনের সফরে নেদারল্যান্ডে যান।

SHARE

0 মন্তব্য(গুলি):