আফজাল হোসেন চাঁদ :
যশোরের ঝিকরগাছা থানার আওতায় একটি রাতে তিনটি আত্মহত্যা হয়েছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থালে গিয়ে তিনটি লাশ সনাক্ত করে থানাতে নিয়ে আসেন। ক্রমাগতই তিনটি লাশের মধ্যে মর্গে গেলো দুইটি আর বাড়ি গেলো একটি লাশ। এ বিষয়ে সচেতন মহলের মধ্যে চাঁপা ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তিনটি আত্মহত্যার মামলায় দুইটি লাশ রবিবার (৩১ মে) দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হল কিন্তু একটি লাশ ময়নাতদন্তের বাদেই বাড়িতে পাঠানো হলো।
থানার অপমৃত্যু মমলার সম্পর্কে জানা গেছে, রবিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় মিশ্রিদেয়াড়া গ্রামের সালাউদ্দিনের স্ত্রী হালিমা খাতুন (৩০) গলায় রশি/ দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মমলা হয়েছে। মামলা নং ১৯, তারিখ- ৩০/০৫/২০২১ইং। রাত ৮টা ১৫ মিনিটের সময় দোসতিনা গ্রামের জালাল’র ছেলে তাছিরুল (১৭) গলায় রশি/ দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মমলা হয়েছে। মামলা নং ২০, তারিখ- ৩০/০৫/২০২১ইং। রাত ১২টা ১০মিনিটের সময় লাউজানী গ্রামের আব্দুর রফিকের স্ত্রী শিউলী (২০) গলায় রশি/ দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মমলা হয়েছে। মামলা নং ২১, তারিখ- ৩১/০৫/২০২১ইং।
থানায় তিনটি আত্মহত্যার বিষয়ে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই (নিঃ) সৈয়দ মোঃ আবু সুফিয়ান জানান, মহিলা ২টির লাশের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাছিরুলের লাশ বাড়ি পাঠানোর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাপের মোবাইল কিনে দেওয় নিয়ে মান অভিমান। ওদের কোন কমপ্লেন নাই। বাবা ছেলের গ্যামজাম। আনম্যাচুয়েড ওর বয়স ১৬/১৭ বছর।

0 মন্তব্য(গুলি):