আফজাল হোসেন চাঁদ :
যশোরের ঝিকরগাছায় এবারের শীতমৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয়েছে। উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে উপজেলার গদখালী ইউনিয়ন। এই ইউনিয়নের বারবাকপুর গ্রামব্যাপি সবজি আবাদ চোঁখে পড়ার মত। বাঁধাকপি ও ফুলকপির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এবার ৩শ হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি ও ২০/২৫ হেক্টর জমিতে ফুলকপির চাষ হয়েছে। উৎপাদন ভালো হওয়া ও কাঙ্খিত বাজারদর পাওয়ায় উৎপাদক কৃষকেরা তাই দারুণ খুশি। প্রতিকেজি বাঁধাকপি বাজারে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫টাকা। পক্ষকাল আগেও বাজারে কপির খুচরা মূল্য ছিলো প্রতিকেজি ৩০/৩৫টাকা। আগাম বাজারজাত করতে পেরে কৃষকেরা লাভের টাকা ঘরে তুলেছেন।
সরেজমিন সবজিপল্লী বারবাকপুর-মধুখালী বিস্তৃর্ণ সবজি ক্ষেতের মাঠে গিয়ে দেখা যায় একের পর এক বাঁধাকপির ক্ষেত। কৃষাণেরা ক্ষেত থেকে বাঁধা ও ফুলকপি তুলতে দারুণ কর্মব্যস্ত। যেন কথা বলার ফুসরত নেই তাদের ! তবে সবার চোঁখে মুখে তৃপ্তির হাসি। কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতিবিঘা জমিতে বীজতলা তৈরি, চারারোপণ, সার, সেচ, কীটনাশক ও পরিচর্যা ইত্যাদি বাবদ খরচ দাঁড়ায় ২০/২৫ হাজার টাকা। উৎপাদিত কপি প্রতিবিঘায় ৬০/৮০ মন হিসাবে কৃষকের নীট মুনাফা অর্জন করেন ৫০/৬০হাজার টাকা। কথা হয়, ব্রুকলি সবজি চাষে সাড়া ফেলে দেওয়া বারবাকপুর গ্রামের আলী হোসেন জানান, তিনি ৬বিঘা জমিতে ফুলকপি ও ৪বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। এবছরও দেড়বিঘা জমিতে ব্রুকলি সবজি চাষের জন্য বীজতলা প্রস্তুত করেছেন।
উদ্যেমী তরুণকৃষক আসলাম খানের সাথে। তিনি জানান, এবছর নিজের তিন বিঘা জমিতে বাঁধাকপি ও দুই বিঘা জমিতে ফুলকপির আবাদ করেছেন। প্রতিবিঘায় বাঁধাকপি উৎপাদন হয়েছে ৬০/৬৫মন। ফুলকপি ৪০/৪৫মন। কৃষক আব্দুল গফুর, আলাউদ্দিন, মহিউদ্দিন, আলী নেওয়াজ বাবলু ও সোয়ারাব হোসেন জানিয়েছেন, তারা ১৫/২০বিঘা করে কপির আবাদ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। তারা বাজারদর পেয়েছেন প্রতিমন বাঁধাকপি ৮শ থেকে ১হাজার টাকা ও প্রতিমন ফুলকপি ১৭/১৮শ টাকা।




0 মন্তব্য(গুলি):