ফলোআপ : ঝিকরগাছা বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সেই সুপার প্রতিষ্ঠানের আয়ার নিকট হতে ২০ হাজার টাকা লোপাট

SHARE

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৪নং গদখালী ইউনিয়নের বোধখানা গ্রামে অবস্থিত বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসার সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে গত ৩০-৩১ জুলাই রাতে বেশ কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে ও ৩১জুলাই--০১ আগষ্ট সকালে স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত ‘ঝিকরগাছার বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জাল করায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে সভাপতি ও ফলোআপ : ঝিকরগাছার সেই মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আরোও চাঞ্চল্যকর তথ্য ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পরে ক্রমাগতই মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে আবারও বের হল চাঞ্চল্যকর তথ্য। তিনি (সুপার) ভোটার আই কার্ড সংশোধনের নামে প্রতিষ্ঠানের হতদরিদ্র আয়া হাফেজা খাতুনের নিকট হতে ২০ হাজার টাকা লোপাট করেছে বলে তিনি (হাফেজা খাতুন) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মনিরামপুর থানার কুমরখালী গ্রামের মৃত জনাব আলীর ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান তার প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান সাইফ এর স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ঝিকরগাছা শাখা থেকে ০০২১৭০৭৫ হিসাব নং থেকে ৪ লক্ষ টাকা লোন গ্রহণ করেছে। বিষয়টি গত ২৪ জুলাই সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান সাইফ জানতে পেরে বিবাদী সুপারের নিকট এটা জানতে চাইলে, তিনি (সুপার মোঃ মিজানুর রহমান) কোন সৎউত্তর না দিয়ে পরবর্তিতে তার লোকজন দিয়ে বাদি (সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান সাইফ) কে হুমকি ধামকি প্রদান করেন। উল্লেখিত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

এই অভিযোগের এখনো মিমাংশা হতে না হতেই আবারও প্রতিষ্ঠানের হতদরিদ্র আয়া হাফেজা খাতুনের নিকট হতে সার্টিফিকেটের বয়সের জাতীয় পরিচয়পত্রের বয়স বেশী থাকায় সেটা সংশোধনের কথা বলে তার নিকট থেকে ০৪ বারে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। তবুও তার সেই জাতীয় পরিচয়পত্র ঠিক না করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে তাল বাহানা করতে থাকে। তিনি তার কাজ করতে না পারায় আয়ার প্রদান করা অর্থ সে ফেরৎ চাইলে সে তার অর্থ ফেরৎ দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। এতেও তিনি ক্ষন্ত হননি বরং তাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে বলে থানার অভিযোগে তিনি এ কথা উল্লেখ করেছেন।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ সাইফুর রহমান সাইফ বলেন, তিনি প্রতিষ্ঠানের হতদরিদ্র আয়ার নিকট থেকেও টাকা নিয়েছে এটা আয়া আমাকে বলেছেন। আর তাকে নিয়ে আপনারা খোঁজখবর নিয়ে দেখেন তার বিরুদ্ধে এলাকাবাসী তাকে কত ভালো বলে!  তার এই কার্যক্রমে আমি ইতি মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসেও তার নামে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। 

বোধখানা মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন মাদ্রাসার আয়া আমাকে টাকা দিয়েছে এটা সঠিক না।

থানার তদন্তকারী অফিসার এমসআই শাহিন বলেন, মাদ্রাসার আয়ার অভিযোগটি আমার কাছে আছে। অভিযোগের তদন্ত চলছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এএসএম জিল্লুর রশিদ জানান, মাদ্রাসার সভাপতি আমার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে। 


SHARE

0 মন্তব্য(গুলি):