"বিদায় হরিণী"
মোঃ নজরুল ইসলাম
হরিণী,হরিণী শুনো হরিণী!
আমি অকালে যেতে চাইনি!
সমাজের আরো দশ জনের মতন
তোমাকে নিয়ে করতে চেয়েছিলাম সংসার জীবন।
আমাদের একটি বাড়ি থাকবে,
গোয়ালে গাভী ছাগল হাঁস মুরগী রবে।
উঠানের শেষে নানা ফুল- ফলের বাগান
তার পাশে পুকুর, পুকুর পাড়ে সবজির মাচান,
সকালে জেঁগে পুকুর পাড়ে গিয়ে
আনিবে! সবজি তুলে
উনুন জ্বালাবো আমি
রান্না করিব ঝটপট
স্নানে যাবে তুমি
রেগে আমি হবো গটগট।
তোমার ঐ দীঘল কালো কোমর অবধী কেশ
স্রষ্টার নিপুঁন দক্ষতাই গড়া দেহ ভেঁজাতে সময় হবে শেষ।
ভেঁজা কাপড়ে আঙুল টিপে ঢুকবে ঘরে
ঘড়ি পানে চেয়ে গোছাবে হুড়োড় করে।
ভুলে যাবে বাঁধতে চুল
বেঁধে আমি গুঁজে দেব ফুল।
আড় চোখে চাহিবে আমার পানে
ভালোবাসার ছোয়া একেঁ দিব কঁপালে।
বলবে খাবার সময় নাই
প্রথম আর্ধের রাউন্ড আমায়
এডমিট হয়েছে সিরিয়াছ রুগী
রাউন্ড শেষে খেয়ে নিব সময় পাই যদি।
ছেলে- মেয়ের দিকে রাখিও খেয়াল
ডাক্তার মানুষ জীবনটাই ভেঁজাল
এমন কথা বলতে বলতে
চিকিৎসালয়ে যাবে চড়ে গাড়িতে।
শুঁকনো মুখে সন্ধ্যা বেলাতে
আসিবে ফিরে ঘরেতে
দেখবে গোছানো সংসার
ডাইনিং এ পড়ে আছে খাবার
চিৎকার করে বলবে, তুমি খাওনি?
তখন নিচু কন্ঠে বলবোএসো খাই হরিণী
খাবার শেষে
বিছানাতে এসে
ক্লান্তির দেহ ছড়াবে তকতোশে
বদনে মশা বসবে এসে
মারারই ছলে
তুলে নিব কোলে
এমন স্বপ্ন দেখিতাম আমি আর তুমি
যা করিতাম মধ্য রাতে ফোন চ্যাটে বলা বলি।
বলতে তুমি
এডাল্ট আমরা দুজনি
নাহী পিছু ফেরার
কছম কুরান ধর্ম আল্লার
দিয়েছি জবান
মেনে নিব শত অপমান
চাহিনা অলঙ্কার বাড়ি-গাড়ি
শুধু চাই হতে তোমারই
তিনটি বছরের প্রতি রাতে
এমনই কথা বলতে আমাতে
আর মাখতে ঊষ্ম অনুভূতিতে
ফোন ম্যাসেজে ব্যাস্ত রাখিতে।
আজ সবই ভুলে
ছিন্ন হলে রাস্তার দূরত্বের দোহায় তুলে
দিলে গালি অযোগ্য বলে
সরকারি জব হয়নি বলে।
হরিণী বিদায়ী বেলায়
একটি কথা বলবে আমাই?
দীর্ঘ সময়ের এ সম্পর্কে
কিই বা চেন নি আমাকে?
তোমার বাবার সম্পদ আর তোমার ডিগ্রী
দাম্ভ্য, যৌবন করে বিক্রি
পারবে?এনে দিতে আমায় আমার মাকে?
আমি তো বিদায় নিচ্ছি তোমার সুখে
বলিব না আর
হরিণী আমার
বাঁচারই সম্বল সম্পদ
নব নাগর কে নিয়ে সুখে থেকো করি মুনাজাত
শেষ কথা বললে নীচু আমি ফোন না দিলে হও খুশী
হ্যাঁ চলে যাচ্ছি আমি পারলে নিজেকে ক্ষমা কইরো তুমি।
মুছে দিলাম আমাদের সমস্ত প্রমান
দেখা হবে চেয়ে রইলাম হাশরের ময়দান।
বিছানাতে এসে
ক্লান্তির দেহ ছড়াবে তকতোশে
বদনে মশা বসবে এসে
মারারই ছলে
তুলে নিব কোলে
এমন স্বপ্ন দেখিতাম আমি আর তুমি
যা করিতাম মধ্য রাতে ফোন চ্যাটে বলা বলি।
বলতে তুমি
এডাল্ট আমরা দুজনি
নাহী পিছু ফেরার
কছম কুরান ধর্ম আল্লার
দিয়েছি জবান
মেনে নিব শত অপমান
চাহিনা অলঙ্কার বাড়ি-গাড়ি
শুধু চাই হতে তোমারই
তিনটি বছরের প্রতি রাতে
এমনই কথা বলতে আমাতে
আর মাখতে ঊষ্ম অনুভূতিতে
ফোন ম্যাসেজে ব্যাস্ত রাখিতে।
আজ সবই ভুলে
ছিন্ন হলে রাস্তার দূরত্বের দোহায় তুলে
দিলে গালি অযোগ্য বলে
সরকারি জব হয়নি বলে।
হরিণী বিদায়ী বেলায়
একটি কথা বলবে আমাই?
দীর্ঘ সময়ের এ সম্পর্কে
কিই বা চেন নি আমাকে?
তোমার বাবার সম্পদ আর তোমার ডিগ্রী
দাম্ভ্য, যৌবন করে বিক্রি
পারবে?এনে দিতে আমায় আমার মাকে?
আমি তো বিদায় নিচ্ছি তোমার সুখে
বলিব না আর
হরিণী আমার
বাঁচারই সম্বল সম্পদ
নব নাগর কে নিয়ে সুখে থেকো করি মুনাজাত
শেষ কথা বললে নীচু আমি ফোন না দিলে হও খুশী
হ্যাঁ চলে যাচ্ছি আমি পারলে নিজেকে ক্ষমা কইরো তুমি।
মুছে দিলাম আমাদের সমস্ত প্রমান
দেখা হবে চেয়ে রইলাম হাশরের ময়দান।

0 মন্তব্য(গুলি):