কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা-  টাকা  -আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)

কবিতা- টাকা -আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)

 টাকা 

         আল ফারুক ইসলাম (দুখু মিয়া)


 টাকার অনেক বড় যাদু

    টাকার অনেক বড় শক্তি,

টাকা থাকলে মানুষ তোমায়

     দেবে সম্মান শ্রদ্ধা ভক্তি।

    টাকায় আত্মীয়তা বৃদ্ধি করে

টাকাওয়ালারে সমাজ দেয় গুরুত্ব,

টাকা না থাকলে মিলিয়ে নিও

   কাছের মানুষ সৃষ্টি করবে দূরত্ব।

বেশি টাকা দিলে রে ভাই

     হুজুর লম্বা মোনাজাত ধরে,

টাকা  কামাই করা ছেলেটারে

    মা একটু  বেশি আদর করে। 

টাকায় সম্মান বয়ে আনে,

টাকায় যেন কাছে টানে।

পকেটে না থাকলে টাকা,

পৃথিবীটা লাগবে ফাঁকা ফাঁকা। 

টাকা না থাকলে রে ভাই

   প্রেমিকার মন যায় ঘুরে,

বেটার অপশন পেলে তখন

 অজুহাতে চলে যাবে দূরে।

বেশি বেশি করে তুমি

  টাকা  কামাই করো ভাই,

নারীর স্বপ্নের রাজা আসে

কখনো ফকির আসে নাই ।

শিখন্ডী  -বিতান কুমার

শিখন্ডী -বিতান কুমার

 শিখন্ডী

                                                                                            -বিতান কুমার


ফুলের সৌরভের কোল ঘেষে
আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপিত কিছু স্বপ্ন শতদল
এক পলকে মৃত্যুর মতো অপরিহার্য
রক্তাক্ত শেল হয়ে বিধে রয় আজন্ম ক্ষত।।
তবু আশা জাগে
তবু প্রতীজ্ঞা পুনর্বার
ফিরে আসে কোন শিখন্ডী নতুনরুপে
নতুন কুরুক্ষেত্রের বুকে।।
বিতান কুমার
ঝিকরগাছা, যশোর।
১৩ পৌষ ১৪৩০
(২৮ ডিসেম্বর ২০২৩)
গদখালী
আলী খান হযরত এর কবিতা- "মূল্যবোধ"

আলী খান হযরত এর কবিতা- "মূল্যবোধ"

                    "মূল্যবোধ"

                           #### আলী খান হযরত ####     


মেঘলা দিনে চাঁদের আলো,

রাত্র যদি না হাসে! 

ভালোবেসে কি বুঝবে তুমি,

রষ্ণী যদি না আসে।


পাবে কী শোভা বৃষ্টির দিনে,

পেখম খুলে ময়ূর যদি না ডাকে।

 কি শোভা পাইবে তুমি! 

চাঁদের আলোয় জুনাকি যদি না আসে।


স্মৃতির এই মনো কুটিরে,

হয়তোবা রবে না কেহ!

শুধুই রয়ে যাবে স্মৃতি।


থাকবেনা কোন আপনজন,

স্মরণ করিবে কে ? 

খুজবে আপনজন, 

কাঁদবে শুধু তোমার ঐ আঁখি।


যেতে হবে সুন্দর ভুবন ছেড়ে,

ছলো ছলো আঁখি ।


 বৃশ্চিক মনের দহন ........হারুন অর রশিদ

বৃশ্চিক মনের দহন ........হারুন অর রশিদ

 বৃশ্চিক মনের দহন

 ...............হারুন অর রশিদ


বাহুতে ক্ষত তুমি জেগে আছো এই রাত ফেরারী তবু–

তবু আলো আছে, বিষাদ ঝরছে। অন্ধকারের এইতো নগ্নতা–

এসবই বেসামাল গল্পের ছক বাঁধা ফাঁদ!


বন্ধ জানালা, দরজায় খিল্ মন থেকে খুলেছো শরীর

আমাকে ছোঁওনি তুমি তবু স্পর্শ ব্যাধি

বাতাসের সুতীব্র দহন, এই বেগ হুড়মুড় ঢুকে পড়ে

কার কোলে মাথা রেখে কারে ছোঁয় অনাহুত মেঘ; বর্ষার দহন!


সাদা পাতা, নীল অক্ষর, ভ্রষ্ট ডায়েরীর খাঁজে শব্দহীন এ কোন কবিতা?

তুমি মেলে দাও অন্তহীন অমল কবিতার খাতা

কে তারে লেখে?

আমি কেবল পাঠ করি সাদা পাতা, নীল অক্ষর…


দূরে পাতা ঝরে, জল ঝরে পুড়ে যায় বৃশ্চিক মন।

রক্তগুলো আগুন দানা  -হারুন অর রশিদ

রক্তগুলো আগুন দানা -হারুন অর রশিদ

 
রক্তগুলো আগুন দানা

                -হারুন অর রশিদ


ফু দিওনা আগুন বনে শর্ষে ভেবে

ফু দিওনা

শর্ষে ফুলের অবয়বে ক্ষেতের বুকে আগুন জ্বলে

ফু দিওনা।


দাউ দাউ দাউ জ্বলছে আগুন বুকের মাঝে

ফু দিওনা

বুকের মাঝে হৃদয় ভেবে ফু দিওনা

ওখানেও আগুন পাখি দিচ্ছে হাওয়া

ফু দিওনা।


কিশোর বুকে আগুন জ্বেলে ফু দিওনা

জ্বলবে পাড়া, জ্বলবে গ্রাম, জ্বলবে শহর

নদীর বুকে জ্বলবে আগুন, পুড়বে পাহাড়

ফু দিওনা।


পথের মাঝে আগুন স্রোত ফু দিওনা

মুখে মুখে ঘুরছে আগুন ফু দিওনা

নিঃশ্বাসেতে উড়ছে আগুন ফু দিওনা

জোয়ান ছেলের রক্ত দেখে ফু দিওনা।


ফুলকি ছাড়া রক্তগুলো আগুন দানা

জমাট বরফ শীতল ভেবে ফু দিওনা

ফু দিওনা 

.. .  ফু দিওনা 

... .......  ফু দিওনা।


প্রেমিক বুকের রক্তক্ষরণ ফু দিওনা

ভবঘুরের সূর্য পোড়া শান্ত মনে ফু দিওনা

চায়ের কাপের বেকার ঠোঁটে ফু দিওনা।


নগ্নপায়ে বেনীর স্রোত- সাপের ফনা

সবুজ-পান্না ঝকঝকে চোখ কাঁচের বারুদ

ফু দিওনা।


চৈত্রমাসে বাঁশের ঝাড়ে ভুল করোনা

পাতায় পাতায় লাগলে দোলা ফু দিওনা।