রংপুরে সবার জন্য স্বাস্থ্য ও পেশাগত নিরাপত্তা শীর্ষক ভবিষ্যত প্রজন্ম যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত

SHARE

চাঁদনী বিডি ডেস্ক :

রংপুরে সবার জন্য স্বাস্থ্য ও পেশাগত নিরাপত্তা শীর্ষক ভবিষ্যত প্রজন্ম যুব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মপরিবেশের অনিরাপদতায় বিশ্বে প্রতিদিন মারা যায় সাড়ে ৭ হাজার মানুষ। রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর থেকে দেশে কর্মপরিবেশের বেশ কিছুটা উন্নয়ন হয়েছে। তারপরও দেশে অনেক অপ্রতিষ্ঠানিক খাতে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে শ্রমিকরা। এ কারণে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও পেশাগত নিরাপত্তায় আরো কাজ করতে হবে বলে মনে করেন বক্তারা। এছাড়াও বক্তারা আরো বলেন, বিশ্বে প্রতিদিন সাড়ে সাত হাজার মানুষ কর্মপরিবেশের অনিরাপদতার কারণে মারা যায়। এরমধ্যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশ গুলোর শ্রমিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।

শনিবার (২৭ মে) রাতে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামের সম্মেলনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের যুবকরা এখন সবচেয়ে বড় শ্রমশক্তি। এসডিজি অর্জনে যুবদের ভূমিকা রাখতে হবে। যুবরাই দেশের সম্পদ। নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতে তারাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারও তাদের সাথে নিয়ে কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পেশাগত নিরাপত্তায় কাজ করছে। এছাড়া আমাদের টেসকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে যেতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের বিকল্প নেই। আমরা নিজেদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরো বলেন, সম্মেলনে ভিএসও কতৃক গঠিত রংপুর বিভাগের সব সেচ্ছাসেবী সংঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত যুব ফোরামের জেলা সভাপতিদের কার্যক্রমের উপর ভিত্তীকরে তাদের কে সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়।

রংপুর জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ কমিশনার নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু জাফর, অতিরিক্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান, রংপুর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল ফারুক, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), কানাডা এবং নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভলান্টারি সার্ভিসেস ওভারসিজ(ভিএসও) বাংলাদেশ, ভিএসও বাংলাদশের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো: শফিকুর রহমান, রংপুর বিভাগীয় যুব ফোরামের পক্ষে বক্তব্য রাখেন যুব ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ ইসলাম সুজন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিভাগীয় যুব ফোরামের সভাপতি জামাল হোসেন।

 

SHARE

0 মন্তব্য(গুলি):