ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাই স্কুলের শিক্ষক আব্দুর রশিদ পেলেন আইপিডিসি-প্রথম আলো প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা

SHARE

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাই স্কুলের সাবেক সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রশিদ পেলেন ‘আইপিডিসি-প্রথম আলো প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২০’।  শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি সোনারগাঁও হোটেলে প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা ২০২০’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন আইপিডিসি-প্রথম আলো। সম্মাননা হিসেবে পরিয়ে দেওয়া হয় উত্তরীয়, দেওয়া হয় ক্রেস্ট, সনদ ও সম্মানী। অনুষ্ঠানে সম্মাননা তুলে দেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং স্কুল-কলেজের অধ্যক্ষেরা। অনুভূতি জানাতে গিয়ে সম্মাননা পাওয়া শিক্ষকেরা এই সম্মানকে তাঁদের জীবনে বড় পাওয়া হিসেবে উল্লেখ করেন।

করোনাভাইরাসের কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে আয়োজকরা এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। গত ৫ অক্টোবর ২০২০ বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ভার্চ্যুয়ালি শিক্ষক বাছাইপর্বে মনোনয়ন পাওয়া মোট ৭৭৬ জন শিক্ষকের মধ্য থেকে ০৯জনকে বেছে নেন বিচারকমণ্ডলী। আর এই ০৯জনের মধ্যে ছিলেন যশোরের উজ্জ্বল নক্ষত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাই স্কুলের সাবেক সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রশিদ।

প্রিয় শিক্ষক সম্মাননা  অনুষ্ঠানে ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের সাবেক সহকারী  শিক্ষক মোঃ আব্দুর রশিদ বলেন, ভালো শিক্ষক হতে হলে শিক্ষার্থীদের ভালোবাসতে হবে। তারা কী চায়, সেটা জানতে হবে।

সম্মাননা পাওয়ায় ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান আজাদ বলেন, আমি আইপিডিসি-প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। কারণ তাদের কার্যক্রমে আমাদের স্কুলের শিক্ষককে নির্বাচন করার জন্য। আমাদের শিক্ষক যে সম্মাননা পেলো সেটা আমাদের হৃদয়ের মধ্যে সর্বদা উদিমান হয়ে থাকবে। এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষকরাও আগামীতে সবার প্রিয় হয়ে দেশ ও দেশে মানুষের কল্যাণে কাজ করবে বলে আমি আশাবাদি। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ঝিকরগাছা সরকারি এম এল মডেল হাইস্কুলের সভাপতি আরাফাত রহমান বলেন, মানুষের জীবনে মা- বাবার পরে যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাঁরা হলেন শিক্ষক। শিক্ষকের আদর-শাসনেই বেশির ভাগ মানুষের পথচলার অনুপ্রেরণা যোগায়। এ জন্যই শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের নিকট হয়ে ওঠেন পথচলার অনুপ্রেরণা। আমাদের স্কুলের সাবেক সহকারী শিক্ষক হিসাবে তিনি যে পুরস্কার অর্জন করেছেন। এটা খুবই ভালো। আমি তার সর্বাধিক সাফল্য কামনা করি।


SHARE

0 মন্তব্য(গুলি):