ঝিকরগাছা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ

SHARE

আফজাল হোসেন চাঁদ, প্রকাশক ও সম্পদক :
কৃষিই সমৃদ্ধি ও করোনা পরবর্তী কাল একমাত্র কৃষিই ধরবে হাল এই স্লোগানের মধ্যদিয়ে যশোরের ঝিকরগাছা কৃষি যান্ত্রিকীকরণে নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করলোউপজেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকের মুখে শুনা যাচ্ছে এমন ফলন গত এক যুগেও হয়নি। অবশ্যই বোরোর বাম্পার ফলন মহান সৃষ্টিকর্তারই আর্শিবাদ। না হলে করোনা ভাইরাসের এই সময় কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল নিজ নিজ দায়িত্বে ঘরে তুলবে।প্রাকৃতিক দূর্যোগ আমাদের পাকাধানে মই দেবে কিনা সেটা চিন্তার খোরাকও বটে।
উপজেলার আমদানি শ্রমিকের অপ্রতুলতা পাশাপাশি শিলা বৃষ্টি, অতি বৃষ্টি, ঝড়-ঝাপটা, বজ্রপাত ইত্যাদির কারণে পাকা ধান ঘরে তুলতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমন চিন্তা মাথায় নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিস আমাদের পাশে। এবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিচালন বজেটের ৫০% ভর্তুকিতে পাঁচটি (০৫) টি কম্বাইন্ড হারভেস্টর অত্র উপজেলায় কৃষি যান্ত্রিকীকরণে একটি নতুন অধ্যায়ের সুচনা করবে এটা নিশ্চিত। পাশাপাশি অত্র উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে কম্বাইন্ড হারভেস্টার, মিনি কম্বাইন্ড হারভেস্টার রিপার রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ হোসেন পলাশ কৃষি বান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, করোনা যেম আমাদেরকে নতুন এক পৃথিবীকে চেনাচ্ছে, ঠিক তেমনি কম্বাইন্ড হারভেস্টরও আমাদের আগামীর কৃষির নব দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। গত একযুগে এবার অত্র উপজেলায় বোরোধানের যেমন বাম্পার ফলন হয়েছে তেমনি কৃষকও এবার ধানের বাজার মূল্য অন্যবারের তুলনায় ভালো পাচ্ছে। কিন্তু বাঁধ সেধেছে কৃষি শ্রমিকের অপ্রতুলতা তাই কৃষক এখন স্বপ্ন দেখছেন কৃষি যন্ত্রিকীকরণের সহায়তায়। আর এর জন্য আমার দপ্তর সর্বদা কৃষকের পাশেই আছে এবং থাকবে। 
SHARE

0 মন্তব্য(গুলি):