বাঘারপাড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাঘারপাড়া লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাঘারপাড়ায় ইউএনও ভুপালী সরকারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

বাঘারপাড়ায় ইউএনও ভুপালী সরকারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

বাঘারপাড়ায় ইউএনও ভুপালী সরকারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২০ হাজার টাকা জরিমানা 

চাঁদনী বিডি ডেস্ক :

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভুপালী সরকার অসাধু উপায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির অভিযোগ উঠায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে একটি ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন তিনি।

রোববার (৫ এপ্রিল)  বিকেলে উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নে অবস্থিত মোবারক আলী ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে ফিলিং স্টেশনটিতে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। বিশেষ করে ব্যারেলের মাধ্যমে নির্ধারিত পরিমানের চেয়ে বেশি পরিমাণ পেট্রল ও অকটেন বিক্রি করা হচ্ছিল, যা ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।

অভিযানে দোষ স্বীকার করায় ফিলিং স্টেশনের মালিককে তাৎক্ষণিকভাবে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জ্বালানি খাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

এদিকে, প্রশাসনের এমন তৎপরতায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। যাতে করে উক্ত বাঘারপাড়া উপজেলা এলাকায় কেউ আর প্রতারণার শিকার না হন।

ঝিকরগাছার ইউএনও ভুপালী সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবাগত ইউএনও রনী খাতুনের যোগদান

ঝিকরগাছার ইউএনও ভুপালী সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবাগত ইউএনও রনী খাতুনের যোগদান

 ঝিকরগাছার ইউএনও ভুপালী সরকারের দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবাগত ইউএনও রনী খাতুনের যোগদান

‎‎আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ভুপালী সরকারের ঝিকরগাছা উপজেলার কার্যক্রম শেষ করে তার নিজ দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। এছাড়াও একই সাথে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলা থেকে বৃহস্পতিবার (০৬ নভেম্বর) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, যশোরে দায়িত্বভার গ্রহণ করে রবিবার (০৯ নভেম্বর) ঝিকরগাছা উপজেলার নবাগত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন মোছা. রনী খাতুন।

ভূপালী সরকারের জন্ম সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে। বাবা নিমাই সরকার পেশায় কৃষক এবং মা প্রমীলা সরকার গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড়। ২০১১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ২০১২ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এরপর জনতা ব্যাংকে নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি শুরু করেন। ৩৫তম বিসিএস ক্যাডারে (প্রশাসন) ২০১৭ সালে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে আইসিটি, এলএও এবং আরডিসি শাখায় দায়িত্ব পালন করেন। তারপর ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২১ সালে তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এলএও এবং আরডিসি পদে যোগ দেন। এরপর খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব শুরু করে অফিসার হিসেবে নয় একজন সচেতন মানুষ হিসেবে উপজেলায় পরিচিতি পেয়েছেন। তার স্বামী তপন কুমার সরকার কলেজ শিক্ষক এবং দুই পুত্র সন্তানের জননী। রবিবার (০৯ নভেম্বর) তার দায়িত্ব হস্তান্তর করে তার পরবর্তী কর্মস্থল যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ভুপালী সরকার।

অপরদিকে মোছা. রনী খাতুন ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করে ২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত  দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিগত ৬ নভেম্বর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ০৯ নভেম্বর অপরাহ্নের পর নবাগত ঝিকরগাছার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন এবং ১০ নভেম্বর বিকাল হতে চলতি দায়িত্বে ধারাবাহিকতা শুরু করেছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে তার নিজেস্ব কার্যালয়ে আলাপচারিতা মাধ্যমে জানা যায়, তিনি রাজশাহী কালেক্টরেটে কমিশনার হিসেবে ২০১৭-২০ পর্যন্ত, নাটোর সদরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে ২০২০-২২ এবং মেহেরপুর ডিসি অফিসে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে ২০২২-২৪ দায়িত্ব পালন করেছেন। তার স্বামী সাতক্ষীরার উপ পরিচালক (পাসপোর্ট) মো. আজমল কবির ও দুই পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জননী। তিনি শ্যামনগর পৌরসভার জন্য সুপেয় পানিসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ময়লা আবর্জনা ফেলার ভাগাড় তৈরি, যমুনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা এবং পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগ গ্রহন ছাড়া সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ এবং খোলপেটুয়া নদী তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ জনস্বার্থে অসংখ্য জনহিতকরণ কাজ করেন সবার প্রিয়পাত্রে পরিণত হন। এর আগে তুমুল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলাকালে নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়াই বিএনপি’র বিবাদমান দু’পক্ষের ইট বৃষ্টির মধ্যে অবস্থান নিয়ে দৌড়ে সংঘর্ষ ঠেকিয়ে তাকে নিয়ে দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এই দুই কর্মকর্তার উপর সরকারের অর্পিত দায়িত্বের বিষয়ে প্রাক্তন কার্যালয় এলাকায় সধারণ মানুষ সহ সর্বস্তরের জনগণ তাদের বদলী ঠেকাতে রাস্তায় নেমে আসেন। যেটা থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় তারা উভয়ে তাদের জীবনে সততা, দয়া, সহমর্মিতা এবং অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব প্রদর্শন করে অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। এই ধরনের মানুষেরা তাদের চারপাশের পরিবেশ এবং সমাজের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। নিজের স্বার্থের চেয়ে অন্যের স্বার্থকে বড় করে দেখেন এবং সবসময় ন্যায় ও সত্যের পথে অবিচল থাকেন। এছাড়াও, ভালো কর্মকর্তা ও ভালো মানুষ হিসেবে সবসময় হাসিখুশি থাকেন এবং অন্যদেরও হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করেছেন।


 ভুয়া কবিরাজ হলেন কলেজের প্রভাষক উজ্জ্বল : অন্যের নামের ভুয়া লাইসেন্সে মেয়াদ বিহীন ঔষধ বাজারজাত

ভুয়া কবিরাজ হলেন কলেজের প্রভাষক উজ্জ্বল : অন্যের নামের ভুয়া লাইসেন্সে মেয়াদ বিহীন ঔষধ বাজারজাত

 ভুয়া কবিরাজ হলেন কলেজের প্রভাষক উজ্জ্বল : অন্যের নামের ভুয়া লাইসেন্সে মেয়াদ বিহীন ঔষধ বাজারজাত

আফজাল হোসেন চাঁদ, বাঘারপাড়া থেকে ফিরে :

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ভুয়া কবিরাজ হলেন মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার সিংড়া গ্রামের বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস। তিনি খাজুরা বাজার সংলগ্ন বাঘারপাড়া উপজেলার তেলিধান্যপুড়া গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে।

তথ্য অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস প্রায় ২৪বছর পূর্বে থেকে মাগুরার বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তারই মধ্যে তিনি অসাধু উপয়ে অধিক অর্থ উপার্জন করার জন্য তারই আপন চাচাত ভাই মৃত. নিতাই চন্দ্র মিত্রের ছেলে কবিরাজ ডাঃ শ্যামল মিত্রের ‘চন্দ্রা সেবা সনদ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের হাল ধরে সাধারণ মানুয়ের সাথে প্রত্যারণা শুরু করেছেন।

দীর্ঘদিন ধরে শ্যামল মিত্র তার নামের সাথে বাংলাদেশ দেশীয় চিকিৎসক সমিতি, ষ্টেট কাউন্সিল অব ইউনানী মেডিনির কলিকাতার সদস্য ও বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন চ্যানেলের কণ্ঠশিল্পীর ডিগ্রী ব্যবহার করে শ্বাসকষ্ট/হাঁপানী/ ব্রঙ্কাইটিস/হাঁচি, এলার্জি (আমবাত), কন্ঠ সূধা চূর্ণ, ডায়াবেটিস মুক্তি চূর্ণ ও যৌন দূর্বলতা মুক্তির বিষয়ে নিজের তৈরী ঔষধ দিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে চিকিৎসা করতো।

হঠাৎ করে স্থানীয় ভাবে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার কারণে ২০২২সালে বাঘারপাড়া উপজেলার তেলিধান্যপুড়া গ্রামে তার নিজের জমাজমি ও বাড়িঘর বিক্রয় করে ভারতের চলে যেতে বাধ্য হন। বর্তমানে বসবাস করছেন। আর তারই জমি ও বাড়ি চাচতো ভাই প্রভাষক উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস ক্রয় করে নিয়ে বর্তমানে শ্যামল মিত্রের চন্দ্রা সেবা সনদ’র নাম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রত্যারণা শুরু করেছে।

তার এই প্রত্যারণার মূলশক্তি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা কিছু সুযোগ সন্ধানী দালাল চক্রের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে কুরিয়ার সর্ভিসের মাধ্যমে উৎপাদনের মেয়াদ বিহীন প্যাকেট পাঠিয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে নিজের পকেট ভর্তির তালে ব্যস্ত রয়েছেন ভুয়া কবিরাজ ও সিংড়া গ্রামের বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস। এছাড়াও তিনিও তার চাচাতো ভাইয়ের মতো দেশ ছেড়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।

তাদের প্রতিষ্ঠান চন্দ্রা সেবা সনদ নামে নেই কোন ড্রাগ তৈরী ও বিক্রয়ের লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স। বাড়ির মধ্যে কোম্পানী তৈরী করে খোলা মেলা পরিবেশে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ঔষধ তৈরী বাজারজাতকরণ করছেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, তারা হলেন এলাকার মধ্যে ক্ষমতাধারী যার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এলাকার লোকজন কথা বলতে সাহস পায় না। সম্ভবত তারা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নিয়ে এই কাজ পরিচালানা করেন। 

ভুয়া কবিরাজ, বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের প্রভাষক উজ্জ্বল কুমার বিশ্বাস বলেন, এটা আমার চাচাতো দাদার লাইসেন্স এ আমি তার পরামর্শের উপর তৈরী করে বিক্রয় করি। সংবাদকর্মীরা তাদের নিকট ঔষধ তৈরীর কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি বলেন, আছে। কিন্তু দাদা কনে রেখে গেছে খুজে পাচ্ছি না। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদনের মেয়াদ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আসলে কবিরাজী যে মাল এটা নষ্ট হওয়ার কোন কথা নেই। কারণ গাছ-গাছরার ঔষুধতো। এটা যদি পচে না যায় তাহলে কো সমস্যা নেই। যাদের নিকট এটা পাঠানো হয় তাদেরকে বলে দি তারাতারি প্যাকেট শেষ করে ফেলবা।

বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পার্থ ঘোষ বলেন, তিনি যে কবিরাজী করে আমি সেটা জানতাম না। আমি তার নিকট বিষয়টি যেনে আপনাকে জানাচ্ছি। পরবর্তীতে তিনি তার নিকট থেকে জেনে বলেন, তিনি কবিরাজী করেন এটা সত্য। তবে কাগজপত্র ব্যতিত এমন কাজ করা তার ঠিক হচ্ছে না।

বাংলাদেশ ভেষজ উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাকীম মুফইত ফিরোজ শাহ্ বলেন, যারা এমন কাজ করছে তাদের ঔষধ উৎপাদনের লাইসেন্স, মেয়াদ ও ভালো স্থান থাকতে হবে। তারপর ঔষধ বাজারজাত করতে পারবে। কিছু অস্বাধু ব্যবসায়ীদের কারণে আমাদের মত রেজিষ্ট্রিকৃত হাকিমদের বদনাম হয়। এই বিষয়টি নিয়ে আমি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. অরূপ জ্যোতি ঘোষ বলেন, যে বা যারা ঔষধ তৈরী করবে তাদের ঔষধ প্রশাসন থেকে অনুমোদন লাগবে। ঔষধ উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ থাকতে হবে। আর তাদের কাগজপত্র সংক্রান্ত যদি কোন জটিলতা থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।         


বাঘারপাড়ায় যুব মহিলা লীগের নেত্রী রনি ভৌমিকের ত্রাণ বিতরণ

বাঘারপাড়ায় যুব মহিলা লীগের নেত্রী রনি ভৌমিকের ত্রাণ বিতরণ

চাঁদনী বিডি ডেস্ক :

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় কর্মহীন হয়ে পড়া গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী, মাক্স, ও নগদ টাকা বিতরণ করেন বাঘারপাড়া উপজেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের যশোর জেলা শাখার ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক রনি ভৌমিক। বাঘারপাড়া যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি এই খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেন।

শনিবার বাঘারপাড়া আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের সামনে থেকে  খাদ্য সামগ্রী, মাক্স ও নগদ টাকা বিতারণের এই  মহতী  কাজের শুভ উদ্বোধন করেন বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসান আলী।

এরপর নারকেলবাড়িয়া বাজারে নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে খেটে খাওয়া গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ করেন। কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালীন সময়ে বাঘারপাড়া উপজেলার নিম্নআয়ের মানুষের কষ্টের কথা চিন্তা করে তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজস্ব তহবিল থেকে এই খাদ্য সামগ্রী নগদ টাকা ও মাক্স বিতরণ করেন । লকডাউন চলাকালীন সময়ে এর আগেও তিনি দরাজহাট  ইউনিয়ন ও বাঘারপাড়া পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্থানে মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও সাবান বিতরণ কাজের অব্যাহত রেখেছেন। করোনাকালীন সময় গরীব দুঃখী মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর এই মহতী উদ্যোগে বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগতম জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রনির ভৌমিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কঠোর বিধি-নিষেধ চলাকালীন সময়ে আমি আমার নিজস্ব তহবিল থেকে আত্মমানবতার সেবায় খেটে খাওয়া গরিব দুঃখী মানুষের পাশে এসে দাড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। বাঘারপাড়া উপজেলা যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীসহ উপজেলার সকল আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আমাকে এই মহতী কাজের সার্বিক  সহযোগিতা করায় আমি তাদের কাছে চির কৃতজ্ঞ। আমার পরিবারের সহযোগিতায়  বাঘারপাড়া উপজেলার নয়টি ইউনিয়নে সকল খেটেখাওয়া কর্মহীন মানুষের পাশে আমার এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রাখব।

ত্রাণ বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, বাঘারপাড়া যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের যশোর জেলা শাঁখার  ক্রীড়া সম্পাদক রনী ভৌমিক। বাঘারপাড়া যুব মহিলা লীগের যুগ্ন আহবায়ক ও বর্তমান কাউন্সিলর বাঘারপাড়া পৌরসভা  সম্পা রানী সরকার। বাঘারপাড়া উপজেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য রিক্তা রানী বিশ্বাস, তাহমিনা খাতুন, গোলাপী খাতুন। আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বাঘারপাড়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস।  নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাঘারপাড়া উপজেলা শাখা বাবলু কুমার সাহা। বণিক  সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, যুবলীগের অন্যতম সদস্য ও নারকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং নম্বর ওয়ার্ডের রানিং মেম্বার তরিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের রজিবুল ইসলাম , রিঙ্কু হোসেন, ইমরান হোসেন, দাউদ হোসেন, তাঁজিল হাসান তাজ, রাসেল হোসেন, সহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ আরো অনেকে ।