বরিশাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বরিশাল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
 দুটি কিডনি নষ্ট হাফিজা আপনার সহযোগিতা পেলে হয়তো নতুন জীবনে ফিরে পেতে পারে

দুটি কিডনি নষ্ট হাফিজা আপনার সহযোগিতা পেলে হয়তো নতুন জীবনে ফিরে পেতে পারে

 দুটি কিডনি নষ্ট হাফিজা আপনার সহযোগিতা পেলে হয়তো নতুন জীবনে ফিরে পেতে পারে

চাঁদনী বিডি ডেস্ক :

দুটি কিডনি নষ্ট হাফিজা বেগম আপনার সহযোগিতা পেলে হয়তো নতুন জীবনে ফিরে পেতে পারে। টাকার অভাবে ডায়ালিস করতে পারে না। কোন অবস্থাতেই বেঁচে আছেন। এক অসহায় স্বামী তার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানিয়েছেন। বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানার রাজ্জাকপুর গ্রামের লিটন খানের স্ত্রী।

দুই সন্তানের জননী হাফিজা বেগম। তার স্বামী লিটন খান পেশায় একজন রিকশা চালক। বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে ঋণ নিয়ে রিকশা কিনেছিলেন। এখন সেটিও বিক্রি করতে হয়েছে স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে ভাড়া চালিত রিকশা চালিয়ে সংসার পরিচালনা করতে হচ্ছে।

প্রায় ১বছর পূর্বে হঠাৎ করে শরীর ফুলে যায় ও প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ধরা পড়ে তার কিডনি জনিত সমস্যা। বরিশালের ইন্টারনাল ফিজিশিয়ান রেজাউল করিমের নেতৃত্বে তার চিকিৎসা চলছে। তার দুটি কিডনি ৮.৬১% ডেমেজ হয়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তার প্রায় ৫-১০লক্ষ টাকা দরকার।

অসহায় স্বামীর পক্ষে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। এনকি উন্নত চিকিৎসার জন্য হয়তো তাকে ভারতে নেয়ে যেতে হতে পারে। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা ও ঔষধ কিনতে না পেরে   বাড়িতেই মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ওই পরিবারটি সমাজের বিত্তবানসহ সকলের সাহায্য ও সহযোগিতা চেয়েছেন। হাফিজা বেগমের চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাঠানো যাবে মুঠোফোন নম্বর ০১৯৬৩-৫৩৭৯০৯ (বিকাশ/নগদ) ।


 অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল

 অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল


বিশেষ প্রতিনিধি :

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া। ঢাকাতে গাঢাকা দিয়ে বর্তমানে হয়েছেন রাসেল। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ঢাকা বিজ্ঞ মূখ্য মহানগর হাকিম সাহেবের আদালতে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। তিনি বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার রাজ্জাকপুর গ্রামের হাসেমের ছেলে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বরিশাল-২ আসনের সংসদীয় আসন ১২০নং এর সাবেক এক এমপি’র ছত্রছায়ায় বিভিন্ন অপকর্ম জমি দখল, বিএনপি নেতৃবৃন্দ নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করা ও হয়রানি করার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করায় তার মুল পেশা হয়ে ওঠে।

কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা, হামলা করার ভয় দেখানোর কারণে অনেকে তার ভয়ে মুখ খুলতোনা। যদিও অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশাল আদালতে লোক দেখানো মহুরির কাজ করতেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে সে ঢাকায় চলে আসেন তার মামা একটি ব্যাংকের সাবেক জিএম এর ছত্রছায়ায় ঢাকার বানারীপাড়া হাউজ মালিবাগের বাসায়, সেখানে শুরু করেন আরও ভয়ংকর প্রতারণা। চাকরি দেওয়ার কথা বলে একাধিক মানুষের সাথে প্রতারণা করে লাখ-লাখ টাকা হাতানো ও চেক, দলিল, জাল সাক্ষর করে অর্থ জালিয়াতি মামলা করে মানুষদের হয়রানি করে।

এরপরও প্রশাসনে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন মামার ক্ষমতার বলে। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ঢাকা বিজ্ঞ মূখ্য মহানগর হাকিম সাহেবের আদালতে একটি হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর তাকে যেন প্রশাসন আর চিনতে না পারে সেই জন্য তিনি তার নাম জাকারিয়া থেকে হয়ে গেছেন রাসেল। উক্ত মামলা নং ৯৮৪/২৫ এবং মামলায় জাকারিয়া ২৭নং আসামি। জাকারিয়াকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দাবি তুলেছেন সচেতন মহল।

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া ওরফে রাসেল এর সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।