ঢাকা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঢাকা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
 অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল

 অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া : গাঢাকা দিয়ে হয়েছেন রাসেল


বিশেষ প্রতিনিধি :

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া। ঢাকাতে গাঢাকা দিয়ে বর্তমানে হয়েছেন রাসেল। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ঢাকা বিজ্ঞ মূখ্য মহানগর হাকিম সাহেবের আদালতে একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। তিনি বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার রাজ্জাকপুর গ্রামের হাসেমের ছেলে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে বরিশাল-২ আসনের সংসদীয় আসন ১২০নং এর সাবেক এক এমপি’র ছত্রছায়ায় বিভিন্ন অপকর্ম জমি দখল, বিএনপি নেতৃবৃন্দ নামে মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করা ও হয়রানি করার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করায় তার মুল পেশা হয়ে ওঠে।

কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মিথ্যা মামলা, হামলা করার ভয় দেখানোর কারণে অনেকে তার ভয়ে মুখ খুলতোনা। যদিও অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশাল আদালতে লোক দেখানো মহুরির কাজ করতেন বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে সে ঢাকায় চলে আসেন তার মামা একটি ব্যাংকের সাবেক জিএম এর ছত্রছায়ায় ঢাকার বানারীপাড়া হাউজ মালিবাগের বাসায়, সেখানে শুরু করেন আরও ভয়ংকর প্রতারণা। চাকরি দেওয়ার কথা বলে একাধিক মানুষের সাথে প্রতারণা করে লাখ-লাখ টাকা হাতানো ও চেক, দলিল, জাল সাক্ষর করে অর্থ জালিয়াতি মামলা করে মানুষদের হয়রানি করে।

এরপরও প্রশাসনে ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকেন মামার ক্ষমতার বলে। তার বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ঢাকা বিজ্ঞ মূখ্য মহানগর হাকিম সাহেবের আদালতে একটি হত্যা মামলা রুজু হওয়ার পর তাকে যেন প্রশাসন আর চিনতে না পারে সেই জন্য তিনি তার নাম জাকারিয়া থেকে হয়ে গেছেন রাসেল। উক্ত মামলা নং ৯৮৪/২৫ এবং মামলায় জাকারিয়া ২৭নং আসামি। জাকারিয়াকে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দাবি তুলেছেন সচেতন মহল।

অনেক প্রতারণার মহানায়ক বরিশালের জাকারিয়া ওরফে রাসেল এর সাথে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। 


যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয় : প্রধানমন্ত্রী

যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয় : প্রধানমন্ত্রী


বিএস বিদ্যুৎ, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৮টি বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় আজ তার দেয়া ভাষণে বলেন, 'পরিস্থিতি সামাল দেয়ার সামর্থ্য তার সরকারের রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী চলমান মন্দার উল্লেখ করে বলেছেন, এ নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশে বিরোধীদের আন্দোলন হতে পারে, কিন্তু বাড়াবাড়ি দেশের ক্ষতির পাশাপাশি মানুষের কষ্ট বাড়াবে যেটি তাদেরও বোঝা উচিৎ।

তিনি বলেন, ‘অপজিশনসহ নানা জনে নানা কথা বলবে, এর সুযোগ নেয়ারও চেষ্টা করবে কিন্তু তারা যদি এসব বেশি করতে যায় তাহলে এর প্রভাবেইতো মানুষের কষ্ট আরও বাড়বে। এটাও তাদের বোঝা উচিত। ’

তিনি বলেন, ‘তারা আন্দোলন (বিএনপি) করে কতটুকু সফল হবে জানি না কিন্তু তারা যেভাবে করতে চাচ্ছে তাতে দেশের জন্য আরো ক্ষতি হবে। কিন্তু সেটা আমরা সামাল দিতে পারবো, সেই বিশ্বাস আমার আছে। ’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দল একটা সুযোগ পাচ্ছে, তারা আন্দোলন করবে, করুক। আমি আজকেও নির্দেশ দিয়েছি খবরদার যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয় বা ডিস্টার্ব করা না হয়।

তারা প্রধানমন্ত্রীর অফিসও ঘেরাও দেবে, আমি বলেছি হ্যাঁ আসতে দেবো। কেন না আমরা যে আন্তরিকতার সঙ্গে চেষ্টা করছি দেশের কাজ করতে দেশের মানুষতো সেটা জানে।

সরকার প্রধান বলেন, মানুষের কষ্ট যে হচ্ছে সেটা তার সরকার উপলদ্ধি করতে পারছে বলেই প্রতিনিয়ত সেই কষ্ট লাঘবের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার সাথে সাথে দেশেও সমন্বয় করা হবে। দেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন শুরু হলে বিদ্যুতের এই সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর যখনই বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমবে আমরা সাথে সাথেই এ্যাডজাস্ট করবো, সেটাও আমার নির্দেশ রয়ে গেছে। সমসাময়িক সংকট কাটাতে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হবার পাশাপাশি উৎপাদন কমিয়ে আনায় তার সরকারের পদক্ষেপের উল্লেখ করেন তিনি।  

শেখ হাসিনা বলেন, হয়তো আর কিছুদিন আমাদের কষ্ট করতে হবে। আমাদের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন শুরু হলে বিদ্যুতের এই সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী আবারও উৎপাদন বৃৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, করোনা যেতে না যেতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে স্যাংশন এবং পাল্টা স্যাংশন জনজীবনে সর্বনাশ ডেকে আনছে, যার  ভুক্তভোগী হচ্ছে সারা বিশে^র সাধারণ জনগণ।

তিনি বলেন, আমেরিকা স্যাংশন দিলো রাশিয়াকে শায়েস্তা করার জন্য, কি দেখা যাচ্ছে যে শায়েস্তা হচ্ছে সাধারণ মানুষ। শুধু আমাদের দেশ বলে নয়, ইউরোপের দেশগুলো এমনকি আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া-প্রত্যেকটি মহাদেশের মানুষেরই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সব জিনিষের ওপরই এর একটা প্রভাব পড়েছে।  

তিনি বলেন, আর আমাদের কিছু লোকতো থাকেই অপ্রয়োজনেও জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেয় ঐ ছুতা ধরে, সেটাই হচ্ছে কিছু কিছু। না হলে এত দামতো বাড়ার কথা নয়।

তার সরকার জনগণের কাছে দেয়া সকল প্রতিশ্রুতির সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি এই করোনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং স্যাংশন ও পাল্টা স্যাংশন না হোত তাহলে আমাদের দেশ কখনই সমস্যায় পড়তো না। আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম। কেননা যে ক্ষেত্রগুলো আমাদের আমদানী নির্ভর সেখানেই সমস্যাটা দেখা দিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী অনেকটা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, স্যাংশন দিয়ে লাভটা কি হলো। বাস্তবিক যদি লাভ কারো হয় তাহলে সেটা আমেরিকা এবং রাশিয়ারই হয়েছে। বিশ্ব বাজারে ডলার এবং রুবেল’র মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। দুভোর্গ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ।