ঝিকরগাছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঝিকরগাছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঝিকরগাছার গদখালীতে ১মেয়েকে ৪জনে মিলে গণধর্ষণ: ছাত্রদলের ২নেতা বহিষ্কার

ঝিকরগাছার গদখালীতে ১মেয়েকে ৪জনে মিলে গণধর্ষণ: ছাত্রদলের ২নেতা বহিষ্কার

ঝিকরগাছার গদখালীতে ১মেয়েকে ৪জনে মিলে গণধর্ষণ: ছাত্রদলের ২নেতা বহিষ্কার

আফজাল হোসেন চাঁদ : 

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৪নং গদখালী ইউনিয়নে ১মেয়েকে ৪জনে মিলে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় গদখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের ২নেতাকে রাতেই লিখিতভাবে বহিষ্কার করেছে যশোর জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক রাজিবুল হক তুর্য্য।

‎ঘটনার সাথে জড়িতরা হলেন গদখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও পটুয়াপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে আব্দুল আল মামুন বাপ্পি(২১), দপ্তর সম্পাদক ও পটুয়াপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (২২), বেলেমাঠ গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে জাবেদ হোসেন (২৮) ও পটুয়াপাড়া গ্রামের উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে আমিনুর রহমান (২০)।

‎ঘটনা সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৬মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মনিরামপুর উপজেলার হরিহরনগর ইউনিয়নের রাজগঞ্জ গ্রামের ১৯বছরের মেয়ে। সে বেনাপোল খালাবাড়ি থেকে ফেরার পথে গদখালী বাজারে নামে। এরপর গদখালী বাজারের ফুলের দোকানদার আমিনুর রহমানের দোকানে গেলে ৪বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। সেই সুত্রে ঐ মেয়েকে গদখালী এলাকায় ফুলবাগান দেখাতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে পটুয়াপাড়া গ্রামের জাবেদ হোসেনদের লিচুবাগনে নিয়ে ৪জনে মিলে গণধর্ষন করে।

পরবর্তীতে ধর্ষিতা জরুরী সেবার ৯৯৯ কল দিলে তাৎক্ষণিক থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষিতাকে উদ্ধার ও মোবাইল ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে সন্ধ্যায় ৪জন ধর্ষককে আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন।

‎থানার অফিসার ইনচার্জ বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করে আনা হয়েছে এবং সন্ধ্যার মধ্যেই আসামীদেরকে আটক করতে সক্ষম হই। বর্তমানে আসামীদের বিরুদ্ধে মামলার হয়েছে। ‎খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুর ই আলম সিদ্দিকী, নাভারণ (সার্কেল) এএসপি নিশাত আল নাহিয়ান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

 ঝিকরগাছায় একই জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির বিষয়ে থানায় পৃথক দুটো অভিযোগ -চাঁদনী বিডিডট কম

ঝিকরগাছায় একই জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির বিষয়ে থানায় পৃথক দুটো অভিযোগ -চাঁদনী বিডিডট কম

 ঝিকরগাছায় একই জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির বিষয়ে থানায় পৃথক দুটো অভিযোগ

আফজাল হোসেন চাঁদ :

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ৫নং পানিসসারা ইউনিয়নের অন্তগত নিলকন্ঠনগর গ্রামে একই জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির বিষয়ে থানায় পৃথক দুটো অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগ দুটির বাদী হয়েছেন নীলকন্ঠনগর গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিনের স্ত্রী রাবিয়া বেগম (৫৫), একই গ্রামের মৃত অহেদ আলীর ছেলে হাজী জয়নাল আবেদীন ও মৃত আহসার উল্লাহের ছেলে সেলিম হোসেন (৫০)। অভিযোগের বিবাদী হয়েছেন নীলকন্ঠনগর গ্রামের ওলিয়ার রহমানের স্ত্রী আছিয়া খাতুন (৫৫), ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩৫) ও মৃত বাবর আলী দফাদারের ছেলে ওলিয়ার রহমান (৫৮)।

থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদীগণ বাদিদের গ্রাম্য প্রতিবেশি। তারা খুব খারাপ ও উৎশৃঙ্খল প্রকৃতির লোক। নীলকন্ঠ নগর মৌজায় সাবেক দাগ নং ১০৬ তে ১৩ শতক জমি হতে বাদি রাবিয়া বেগমের ৬ শতক বেড়াবাড়ি জমি রয়েছে। এছাড়াও বিবাদীদেরও ৬ শতক জমি রয়েছে। ১নং বিবাদীর বাদী রাবিয়া বেগমের জমি প্রয়োজন হলে তিনি আরেকটি জমির মাধ্যমে এওয়াজ বদল ভাবে রেজিষ্ট্র করে নিতে চাই। এমতাবস্থায় ১নং বিবাদী বাদী রাবিয়া বেগমের নিকট হইতে জমির রেজিস্ট্রি করে নেয়। ১ নং বিবাদী রাবিয়া বেগমকে এওয়াজ বদলের জমির বিপরীতে অন্য আরেকটা জমি রেজিস্ট্রি দিতে চায়। সেই জমি পূর্বেই ১নং বিবাদী তার ছেলে ২নং বিবাদীকে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন কিন্তু রাবিয়া বেগম সেটা না জেনে একই জমি তার নামে রেজিস্ট্রি করে নেন। ১নং বিবাদী বাদী রাবিয়া বেগমকে যে জমি দিয়েছেন সেটা ভুয়া রেজিস্ট্রি হিসেবে এখন গণ্য হচ্ছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে বাদী রাবেয়া বিষয়টি বুঝতে পেরে বিভিন্ন সময়ে বিবাদীদের বাড়িতে গিয়ে উক্ত বিষয়ে বললে বিবাদীগণ পুনরায় বাদীকে জমি রেজিস্ট্রি করে দিবে বলে অঙ্গীকার করে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে রেজিস্ট্রি করে দেয় না। সর্বশেষ বাদী রাবিয়া বেগম গত ৫জুলাই সকাল অনুমান ৯টার সময় বিবাদীদের বাড়িতে গেলে ১নং বিবাদীর সাথে উক্ত জমি রেজিস্ট্রি করার বিষয়ে কথা বললেই উল্লেখিত বিবাদীগণ বাদী রাবিয়া বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালা শুরু করে তখন বাদী রাবিয়া বেগম গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে বিবাদীগণ তাকে মারপিট করিতে উদিত হয়।

অপরদিকে একই জমির বিষয়ে বাদী জয়নাল ও সেলিম তাদের অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, উক্ত মৌজা সাবেক দাগ নাম্বার ১০৬ হাল দাগ নাম্বার ৩৬৬ তে ১৩ শতক জমি রয়েছে ১৩ শতক জমি হইতে বাদী জয়নালের নিকট ৩শতক এবং বাদী সেলিমের নিকট ৪শতক জমি ২০ বছর পূর্বে বিক্রয় করেছে। ১নং বিবাদী বাদীদের কাছে জমি বিক্রয় করে বাদীদেরকে রেজিস্ট্রি  করে দেওয়ার পূর্বে ১নং বিবাদী তার ছেলে ২নং বিবাদীকে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। এই বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট বিচারের দাবিতে বাদীরা পৃথক ভাবে দুটি অভিযোগ করেছেন।

ঘটনার বিষয়ে জানার জন্য ২নং বিবাদী মনিরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।   

থানার অফিসার ইনচার্জ বিএম কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, দুটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের উপর তদন্ত পূর্বক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।